• ঢাকা
  • বুধবার, ১৩ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২৬ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

নিত্যপণ্যের দামে নেই স্বস্তি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:২২ পিএম
কয়েক মাস ধরে উত্তাপ ছিল সবজির বাজারে। শীতের সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম এখন কমতে শুরু করেছে।
নিত্যপণ্যে দ্রব্য

নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস ধরে উত্তাপ ছিল সবজির বাজারে। শীতের সবজির সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম এখন কমতে শুরু করেছে। ডিমের দামও দিচ্ছে একই ইঙ্গিত। তবে এতে ভোক্তাদের কিছুটা স্বস্তি মিললেও আগের মতই দুশ্চিন্তা রয়ে গেছে অন্যান্য নিত্যপণ্যে। বেড়ে যাওয়া দামেই কিনতে হচ্ছে এসব পণ্য।

বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজার, ফকিরাপুল, মালিবাগসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গত সপ্তাহের তুলনায় শীতের কয়েকটি সবজি ও ডিম তুলনামূলক কম দামে বিক্রি হচ্ছে। যদিও ভোক্তাদের দাবি, ভরা মৌসুমে শীতের সবজির কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা থাকার কথা। সেই তুলনায় দাম এখনও বেশি। সবজির কেজি কিনতে হয় ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়।

বাজারে ১০ থেকে ১২ দিন আগে প্রতি কেজি শিমের দাম ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। দাম এখন তিন ভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে। মানভেদে ৩০ থেকে ৪৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে এক কেজি শিম। ফুলকপি ও বাঁধাকপির দামও গত সপ্তাহের তুলনায় পিস প্রতি কমেছে ৫ থেকে ১০ টাকা। আকারভেদে এই সবজি দুটির পিস বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি দরে। তবে ১০ টাকা দাম বেড়ে পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১৩০ টাকা।
কলিসহ পেঁয়াজের কেজিতে দর পাঁচ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। ভারতীয় পেঁয়াজের দামও তিন থেকে পাঁচ টাকা কমে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায়। আগের মতোই ৫৫ থেকে ৬০ টাকা খরচ হবে দেশি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে।
এক কেজি নতুন আলু পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়। আগের মতোই ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে পুরোনো আলু। গাজরের দাম ১০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। এ ছাড়া বরবটি, পটোল, করলা, শসাসহ বেশিরভাগ সবজি ৩০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজি ও ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও কোনো সুখবর নেই নিত্যপণ্যের দামে। বাজারে প্রতি কেজি খোলা চিনির দর ৮০ থেকে ৮৪ টাকা আর প্যাকেটজাত চিনি কিনতে লাগবে ৮৫ থেকে ৯০ টাকা। দেশি মসুর ডালে পাঁচ টাকা বেশি নিতে দেখা গেছে বিক্রেতাদের। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল ১১০ থেকে ১১৫ টাকা। আর ভারতীয় মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা কেজি দরে।
আগের মতোই দুই কেজির প্যাকেট আটার দাম ৮০ থেকে ৮২ টাকা। আর খোলা আটার কেজি ৩৫ থেকে সর্বোচ্চ ৩৮ টাকা। দুই কেজি ময়দার এক প্যাকেটের দাম ১০৪ টাকা। আর খোলা ময়দার কেজি পাওয়া যাবে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকায়। অপরিবর্তিত রয়েছে সয়াবিন তেলের দাম। খোলা সয়াবিন কেজি হিসেবে বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা। প্রতি কেজির দাম রাখছেন ১৫০ থেকে ১৫৫ এবং পামঅয়েল ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। এ ছাড়া বোতলজাত এক লিটার সয়াবিন তেল ব্র্যান্ডভেদে পাওয়া যাচ্ছে ১৫৩ থেকে ১৫৮ টাকার মধ্যে। হেরফের দেখা যায়নি চালের দামে। মিনিকেটের কেজি ৫৮ থেকে ৬২, নাজিরশাইল ৬৫ থেকে ৭০ টাকা। স্বর্ণা ও বিআর-২৮ জাতীয় চালের কেজি মানভেদে দর ৪৬ থেকে ৫০ টাকা।

 

ঢাকানিউজ২৪.কম /

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image