• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৬ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

তিস্তা সেচ প্রকল্প এলাকায় বোরো আবাদ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০১ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:২৭ পিএম
বাড়তি উৎপাদন হবে তিন লাখ ৮ হাজার মেট্রিক

নিউজ ডেস্ক:  তিস্তা সেচ প্রকল্প এলাকায় দিগন্তজোড়া বোরো আবাদ। প্রকল্পটির পানি পর্যাপ্ততা সুযোগ ঘটিয়েছে ও দিগন্তজোরা আবাদের। চলতি বোরো মৌসুমে ৫৩ হাজার জমিতে সেচ সুবিধা দিতে পারছে প্রকল্পটি।

এতে করে নীলফামারীসহ পার্শ্ববর্তী রংপুর ও দিনাজপুর জেলার ১২ উপজেলায় বাড়তি উৎপাদন হবে তিন লাখ ৮ হাজার মেট্রিক টন ধান। যার বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা।

১২ উপজেলার মধ্যে রয়েছে নীলফামারীর সদর, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলা, দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর, খানসামা উপজেলা, রংপুর জেলার সদর, তারাগঞ্জ, বদরগঞ্জ ও গঙ্গাচড়া উপজেলা। প্রকল্পের টারশিয়ারী ও সেকেন্ডারী মিলে ৭৬০ কিলোমিটার সেচ খালের মাধ্যমে এসব উপজেলায় সেচ প্রদান করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, এবার সর্বোচ্চ পরিমান জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। পরীক্ষামূলক সেচের মাধ্যমে প্রকল্পটি শুরু হয় ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে। ২০০৩ সাল থেকে সীমিত আকারে কার্যক্রম শুরু করে ২০১৬ সালে বোরো মৌসুমে ১০ হাজার হেক্টর, ২০১৭ সালে ৮ হাজার হেক্টর, ২০১৮ সালে ৩৫ হাজার হেক্টর, ২০১৯ সালে ৪০ হাজার হেক্টর, ২০২০ সালে ৪১ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করা হয়।

২০২১ সালে ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে পানির পর্যাপ্ততায় ৫৩ হাজার হেক্টরে সেচ প্রদান করা হয়। ২০২২ সালে ৫৩ হাজার হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে  সেচ অব্যাহত রাখা হয়েছে। প্রতি বিঘা জমির সেচ সুবিধার জন্য কৃষদেরকে পরিশোধ করতে হয় ১৬০ টাকা। এতে করে প্রতি একর জমির সেচের মূল্য পরিশোধ করতে হয় ৪৮০ টাকা। আর ওই সেচ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ১২ উপজেলায় কাজ করছে ২৪২টি পানি ব্যবস্থাপনা সমিতি।

জেলা সদরের রামনগর ইউনিয়নের বাহালীপাড়া গ্রামের কৃষক মোখলেছার রহমান (৫২) বলেন,‘এবার সময়মতন পানি পাইছি তিস্তার ক্যানেলোত। সুবিধা পায়া তিন বিঘা জমিত ধান আবাদ করিনু। ক্যানেলের পানির আবাদোত খরচ কম হওয়ায় লাভ বেশী হয়।’

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বলেন,জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকে সেচ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সেচের পানিতে কৃষরা নির্বিঘ্নে আবাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সেচ যন্ত্র চালিয়ে বোরো আবাদে প্রতি একরে খরচ হয় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। সেখানে সেচ প্রকল্পের পানিতে আবাদে খরচ হচ্ছে মাত্র ৪৮০ টাকা। খরচ কম হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষক।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রাফিউল বারী জানান, তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের রিজার্ভারে ৩ হাজার কিউসেকের মতো পানি পাওয়া যাচ্ছে। যা দিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

কৃষি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image