• ঢাকা
  • সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৮ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

সমৃদ্ধ অর্থনীতির জন্য আমরা লড়াই করছি: ফখরুল


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৭ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:৪৯ পিএম
সমৃদ্ধ অর্থনীতির জন্য আমরা লড়াই করছি
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নিউজ ডেস্ক : মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ৩৫ লাখ নেতা-কর্মীর মামলা থেকে মুক্তি এবং সমৃদ্ধ অর্থনীতির জন্য আমরা লড়াই করছি।

নিজেদের চলমান আন্দোলনকে আরও এগিয়ে নেওয়ার কথা বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি বলেন, ‘আমরা আজও বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র ও বাংলাদেশকে ফিরে পাওয়ার জন্য ও অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখার জন্য লড়াই করছি। আমাদের নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও দেশনায়ক তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ৩৫ লাখ নেতা-কর্মীর মামলা থেকে মুক্তি এবং সমৃদ্ধ অর্থনীতির জন্য আমরা লড়াই করছি। এই লড়াইকে আমরা আরো এগিয়ে নেব।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকের দিনে আমাদের শপথ দেশনেত্রীকে মুক্ত করব, তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনব। দেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনব এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করব।’

৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি’ দিবস উপলক্ষে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও মোনাজাত করেন।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, '১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সৈনিক-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যিনি আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, তাকে মুক্ত করে নতুনভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ফিরিয়ে নেয়া হয়েছিল। এ জন্যই এই দিনটি দেশের মানুষের কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর শুধু দিবস নয়। এটি দেশের মানুষের কাছে ছিল যুদ্ধপরবর্তী স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে সুসংহত করার দিন। বাংলাদেশের শত্রুদের পরাজিত করে দেশপ্রেমিক সৈনিক জনতা বাংলাদেশকে রক্ষা করবার মূলমন্ত্রে সেদিন উজ্জীবিত হয়েছিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় আমরা পরবর্তীকালে ভয়াবহ একদলীয় শাসনব্যবস্থা দেখেছি। সেটাকে পরিবর্তন করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছে।

‘আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নতুন অর্থনৈতিক ধারা চালু হয়েছিল। মুক্ত অর্থনীতির ধারা চালু হয়। একই সঙ্গে জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল।

এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মো. আবদুস সালাম, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ফরহাদ হালিম ডোনার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে একে একে ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, মৎস্যজীবী দল, জাসাস, কৃষকদল, শ্রমিক দল, ওলামা দল, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন, ইউট্যাব, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব), এমট্যাবসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষে জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, শফিকুল ইসলাম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, সাধারণ সম্পাদক রাজীব আহসান, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, কেন্দ্রীয় নেতা রফিকুল ইসলাম, রফিক হাওলাদার, ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ ও সর্দার মো. নুরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

রাজনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image