• ঢাকা
  • শনিবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২০ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোরবানি হবে ২২০০ পশু


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ১৬ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৩৩ পিএম
রোহিঙ্গা, ক্যাম্পে, কোরবানি হবে, ২২০০ পশু

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ২,২০০টি পশু কোরবানি দেওয়া হবে। বিভিন্ন দাতা সংস্থার (এনজিও) পক্ষ থেকে এই পশুগুলো সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ১,৮০০টি গরু এবং ৪০০টি ছাগল রয়েছে। উখিয়া-টেকনাফের ক্যাম্পগুলোতে এই পশুগুলো পাঠানোর প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরসি) মোহাম্মদ সামছু-দ্দৌজা নিশ্চিত করেছেন যে, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ক্যাম্পগুলোতে কোরবানি পশু বরাদ্দ কমেছে। তিনি বলেন, "এই বছর রোহিঙ্গাদের জন্য ২,২০০টি কোরবানির পশু পাওয়া গেছে, যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তবে যেসব পশু পাওয়া গেছে, সেগুলো একত্রিত করে যেখানে যতটা দরকার পাঠানো হচ্ছে। পশু জবাইয়ের পর ক্যাম্প ইনচার্জদের তত্ত্বাবধানে মাঝিদের সহযোগিতায় মাংস বণ্টন করা হবে।"

আগামীকাল বাংলাদেশে ঈদুল আজহা পালিত হবে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রায় সবাই মুসলিম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় তারা ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জোবায়ের বলেন, "আমরা বাংলাদেশে আগামীকাল পর্যন্ত ৭টি কোরবানির ঈদ পালন করতে যাচ্ছি। মিয়ানমারে থাকাকালে আমরা ২-৩টি বড় গরু কোরবানি দিতাম, কিন্তু এখানে আসার পর সেই সুযোগ হয়নি। সাত বছর হয়ে গেছে, তবুও আমাদের কোনো কূল-কিনারা হচ্ছে না। রোহিঙ্গাদের ঈদের আনন্দ বলতে কিছু নেই। আমরা 'খোলা কারাগারে' কষ্টের জীবন যাপন করছি। এরপরও আমাদের আশা, আগামী বছর নিজ দেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবো।"

টেকনাফের জাদিমুড়া শালবন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা বজলুল রহমান বলেন, "আমাদের অধীনে প্রায় ৪০ হাজার মানুষের বসতি। কর্তৃপক্ষ কোরবানির পশু সন্ধ্যার মধ্যে পাঠানোর আশ্বাস দিয়েছে।"

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট ঈদুল আজহার কয়েকদিন আগে রাখাইনের ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলার ঘটনা ঘটে। এর প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমার সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন শুরু করে। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে উখিয়া-টেকনাফের ৩৩টি শিবিরে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, উখিয়া-টেকনাফে আশ্রিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তবে স্থানীয়দের মতে, এই সংখ্যা আরও বেশি।

 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image