• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১০ আশ্বিন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ; ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

ঠাকুরগাঁওয়ে বাজারে আম উঠলেও দামে চড়া


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৬ জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৩১ পিএম
ঠাকুরগাঁওয়ে
বাজারে আম উঠলেও দামে চড়া

গৌতম চন্দ্র বর্মন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের বাজারে উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন জাতের আম। ইতোমধ্যেই পৌর শহরের বিভিন্ন স্থান ও সদর উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বসেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী হাট। সেখানে প্রতিদিন ক্রেতা সমাগমও হচ্ছে প্রচুর। আপাতত চড়া দামেই বিক্রি হতে দেখা যায়। ক্রেতার চাহিদাও রয়েছে প্রচুর।

এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রবিবার পৌর শহরের কালিবাড়ি বাজার, চৌরাস্তা, কালেক্টরেট চত্বর, বাসস্ট্যান্ড, সত্যপীর ব্রিজ, গোধুলী বাজার, সেনুয়া হাট, কোট চত্বর, আমতলা মোড়, তাঁতীপাড়া, মুন্সিরহাট, ঠাকুরগাঁও রোড, যুব সংসদ মাঠ, রেল ক্রসিংসহ বেশকিছু স্থানে বিভিন্ন জাতের আম বিক্রির দৃশ্য চোখে পড়ে। এছাড়াও ফেরি করে বেশ কিছু ভ্রাম্যমাণ আম ব্যবসায়ীকে আম বিক্রি করতে দেখা যায়।

ঠাকুরগাঁও জেলায় হাড়িভাঙ্গা, ফজলি, সূর্যপুরি, লাবুয়া, খিরসা, অরুণা, আম্রপালি, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, মল্লিকা, সুবর্ণরেখা, মিশ্রিদানা, নিলাম্বরি, কালীভোগ, কাঁচামিঠা, আলফানসো, বারোমাসি, তোতাপূরি, কারাবাউ, কেঊই সাউই, গোপাল খাস, কেন্ট, পাহুতান, ত্রিফলা, ছাতাপরা, গুঠলি, লখনা, আদাইরা, কলাবতি ইত্যাদি জাতের আম চাষ হয়। এগুলোর মধ্যে স্থানীয় প্রজাতি সূর্যপুরি ও হাড়িভাঙ্গা জাতের আমের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বর্তমানে স্থানীয় গুটি জাতের আম বাজারে উঠলেও কয়েকদিনের মধ্যে অন্যান্য জাতের আম উঠতে শুরু করবে। বিশেষ করে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার হরিণমারী এলাকায় রয়েছে বিশাল আকৃতির একটি সূর্যপূরি আম গাছ। প্রায় ২ বিঘা জমি জুড়ে আম গাছটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে। এ আম ইতোমধ্যে সবার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। পাতলা আঁটি আর সুমিষ্ট গন্ধ যেন মন কেড়ে নেয়। পৌর শহরের কালিবাড়ি বাজারে বিভিন্ন জাতের আম উঠেছে। সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির আম বিক্রি হচ্ছে। গুটি আম ৪০-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সেখানে আম কিনতে আসা আব্দুল্লাহ নামে ক্রেতা বলেন, সূর্যপুরি ও হাড়িভাঙ্গা জাতের আম কিনতে এসেছি। তবে আপাতত হিমসাগর ও গুটি আম বেশি পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতারা জানালেন আর কিছুদিনের মধ্যে প্রায় সব জাতের আম বাজারে উঠবে।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা থেকে আসা আম ব্যবসায়ী নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রত্যেক বছর বালিয়াডঙ্গী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আম বাগান কিনে থাকি। কেবলমাত্র আম ভাঙ্গা শুরু হয়েছে। আপাতত গুটি প্রজাতির আম আনছি, আর কয়েকদিনের মধ্যেই অন্যান্য সব জাতের আম বিক্রি শুরু করবো।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলায় আম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫ হাজার ৮০ হেক্টর। এর মধ্যে আম বাগানের সংখ্যা ৩ হাজার ২৩৬ হেক্টর জমি এবং বসত বাড়ির আম গাছ ১ হাজার ৮৪৪ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৯ হাজার ১৮৫ টন। যা গত বছরে আম আবাদ হয়েছিল ৮ হাজার ২৯ হেক্টর জমিতে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার সূর্যপুরি আম সারাদেশে সুনাম কুড়িয়েছে। আমে পোকা থাকে না এটা এখানকার বিশেষ বৈশিষ্ট্য। আমের আকার দেখতে ছোট হলেও স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। জেলায় এবার আমের ভালোই ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে বাজারে আম উঠতে শুরু করেছে। আমের চাহিদা থাকায় ব্যবসায়ীরা লাভবান হবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image