• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

অ্যাক্টিভিস্ট ডিপ্লোম্যাটদের কার্যকলাপ অগ্রহণযোগ্য: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ জুলাই, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১১:০৯ পিএম
ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া
ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক:  সোমবার ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলমের ওপর হামলার ঘটনায় ১২টি দূতাবাসের দেওয়া বিবৃতিতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি এটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।

বুধবার (১৯ জুলাই) বিকালে ১২ দূতাবাসের বিবৃতির বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান।

তিনি বলেন, ‘আমি অ্যাক্টিভিস্ট ডিপ্লোম্যাটদের সম্পর্কে বলতে চাই আমেরিকায় যখন-তখন লোক মেরে ফেলে, তখন কি তারা বিবৃতি দেয়, জাতিসংঘ কি বিবৃতি দিয়েছে? তারা কি বলেছে যে আমেরিকাতে লোক মারা যায় কেন?’

কেমব্রিজে ফয়সাল নামে একজন বাংলাদেশি ছেলে মারা গেলো। জাতিসংঘ কি বলেছে ওই ছেলের মৃত্যুর তদন্ত কতদূর এগুলো? কিংবা রাষ্ট্রদূতরা কি দলবেঁধে কোনও বিবৃতি দিয়েছে? আপনারা কেন তাদের জিজ্ঞাসা করেন না? যখন তাদের দেশে লোক মারা যায় তখন কেন বিবৃতি দেয় না।

তিনি বলেন, এটি গ্রহণযোগ্য নয়। কেন মারলো সেটি তদন্ত করে দেখতে হবে। এমন হতে পারে সেটিতে কেউ জড়িত ছিল, যা আমরা জানি না। হয়তো আমাদের নির্বাচনে অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য কেউ এটি করিয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, হয়তো কেউ আমাদের আগামী নির্বাচন চায় না। একটি অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি করার জন্য, বানচাল করার জন্য অকাম-কুকাম শুরু করছে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমেরিকাতে যখন-তখন লোক মারে। এগুলো নিয়ে কখনও প্রশ্ন করেছেন? কেন নয়? আপনাদের প্রশ্ন করা উচিত। আপনাদেরও এসব বিষয়ে সজাগ হওয়া উচিত। শুধু আমার দেশে হলেই হইচই শুরু করে দেন।

আমাকে একটি রিপোর্ট দেন একজন লোক মারা যাওয়ার পরে একটি বিবৃতি তারা দিয়েছে। কিছু দিন আগে ফ্রান্সে কতগুলো লোক আক্রান্ত হলো। ওরা কি দলবেঁধে বিবৃতি দিয়েছিল। কাজেই কেন শুধু বাংলাদেশ হলে তারা বিবৃতি দেয়। এখন সময় এসেছে ওইসব বিবৃতি বন্ধ করা। তারা আমাদের কাছে বিবৃতি না দিয়ে আপনাদের কাছে দেয়। এটি গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি বলেন, ‘এই যে আমেরিকানরা এলো, আমেরিকান আসছে কেন? সম্পর্কের উন্নতি করতে চান বলে প্রেসিডেন্ট বাইডেন একটির পর একটি দল পাঠাচ্ছেন। আর আপনারা সেখানে খালি সন্দেহ খোঁজেন। আমার সঙ্গে ব্লিঙ্কেন সাহেবের বৈঠক হয়েছে কীভাবে সম্পর্ক উন্নয়ন করা যায়, অন্য কোনও বিষয় নয়। বিদেশ থেকে কেউ এলে আপনারা ষড়যন্ত্র শুরু করেন এটি বন্ধ করেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আরো পড়ুন

banner image
banner image