• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৬ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২০ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

গণমাধ্যম বাড়লেও সঠিক পেশাদারিত্ব নিশ্চিত হয়নি: টিআইবি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:০৭ পিএম
দেশে বহু গণমাধ্যম তিলে তিলে গড়ে উঠলেও পেশাদারিত্ব আজও নিশ্চিত হয়নি
TIB LOGO

মুহাম্মদ মুনির হাসান: বাংলাদেশে বিভিন্ন চাপ এবং শক্তিশালী নানা প্রভাবের বিস্তারের মাঝে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খুঁজে পাওয়া খুবই অনেক কঠিন। এ দেশে গণমাধ্যমের উত্থান তথা শুরু ও প্রবৃদ্ধির সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ কর্পোরেটকরন হয়েছে। ৩২টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অধীনে রয়েছে দেশের ৪৮টি গণমাধ্যম। এগুলো মালিকের ঢাল হিসেবে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় সার্বিকভাবে স্বচ্ছতার ঘাটতিও দেখা যাচ্ছে প্রতিনিয়তই।

গণমাধ্যমের লাইসেন্স পাওয়া নির্ভর করছে সরকারের সঙ্গে একান্ত সম্পর্কের ওপর।  ব্যাপক করপোরেট পুঁজির প্রভাব এর কারনে  সম্পাদকীয় নীতিমালাকেও অন্ধকারে ঢুবে রাখছে অনেকে।অন্তত ২০টি আইন, ধারা ও নীতিমালা মিডিয়ার ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করছে। আজ বৃহস্পতিবার ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের এক আলোচনাসভায় উপস্থাপিত মূল বক্তব্যের সূচনায় এসব কথা বলা হয়েছে। "বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা গণমাধ্যমের প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ" শীর্ষক এ প্রবন্ধটি তুলে ধরেন টিআইবির অ্যাসিস্ট্যান্ট কো–অর্ডিনেটর জাফর সাদিক।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে বহু গণমাধ্যম তিলে তিলে গড়ে উঠলেও পেশাদারিত্ব আজও নিশ্চিত হয়নি।  প্রতিষ্ঠানগুলোতে সর্বজনীন কোনো মানবসম্পদ নীতিমালাও নেই।  দেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ভয়াবহ চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে জানিয়ে প্রবন্ধে বলা হয়, গত কয়েকদশকে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ব্যাপক বিস্তার ঘটলেও তুলনামূলকভাবে মানসম্মত অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার প্রসার আজও হয়নি। তথ্যপাচার, লিক সাংবাদিকতা, পাপারাজ্জি সাংবাদিকতা, সরাসরি নথি চুরির মতো ঘটনাকে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে ছয়টি মূল চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টার ন্যাশনাল বাংলাদেশ টিআইবি। এগুলো হলো- নিয়ন্ত্রিত বাজার ও করপোরেট পুঁজির প্রভাব, রাজনৈতিক সঙ্গে সংস্কৃতি এবং রাষ্ট্রীয় আইনি ও নীতি কাঠামো, সেল্ফ সেন্সরশিপ, প্রতিষ্ঠানের ইচ্ছার ঘাটতি, সক্ষমতার ঘাটতি,ও  নিরাপত্তাহীনতা ৷

আলোচনাসভায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধ সামাজিক একটি বিষয়। প্রত্যেক নাগরিকের দুর্নীতিকে না বলতে হবে। আর দুর্নীতি প্রতিরোধে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা একটি বিশাল ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে এটা সত্য যে, সাংবাদিকতার জন্য যে পরিবেশটা দরকার সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সেই জায়গা থেকে আমরা দেখতে পাই একটা প্রতিকূলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ।

সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক তালাত মাহমুদ, মিরাজ আহমেদ চৌধুরী, সুজন কবির, রিয়াজ আহমেদ, বদরুদ্দোজা বাবু এবং জুলফিকার আলী মালিক, টিআইবির অ্যাসিস্ট্যান্ট কো–অর্ডিনেটর ও বেসরকারি সংবাদ ভিত্তিক চ্যানেল সময় সংবাদের সংবাদ উপস্থাপক  জাফর সাদিক। আলোচনা শেষে টিআইবির অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

ঢাকানিউজ২৪.কম / মুহাম্মদ মুনির হাসান

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image