• ঢাকা
  • বুধবার, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২৪ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

উসকানি দিলে যুদ্ধে জড়াবো না: ওবায়দুল কাদের


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:১৭ পিএম
উসকানি দিলে যুদ্ধে জড়াবো না
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মিয়ানমার ইস্যুতে  আমরা এখনো কোনো আক্রমণ দেখিনি। তারা (মিয়ানমার) উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবো। একটা সমাধান বের করবো। যুদ্ধে জড়াবো না।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যদি যুদ্ধে জড়াতে চান, তাহলে উসকানির ফাঁদে আমরা পড়তে পারি- বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের ।

তিনি বলেন, তাদের অভ্যন্তরীণ ৫৪টি গোষ্ঠী আছে। ওদের অভ্যন্তরীণ অনেক সমস্যা। আমরা সীমান্তে আছি, গুলি এসে লাগতে পারে, গুলির আওয়াজ আসতে পারে। তাদের নৃতাত্ত্বিক বিদ্রোহীরা আছে। তাদের থেকেই এসব ঘটনা ঘটছে। সেটার জন্য কেন মিয়ানমার সরকারকে দায় দেবো? যতদিন সম্ভব শেষ পর্যন্ত আমরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে চেষ্টা করবো।

তিনি আরো বলেন, যদি সত্যিই আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকবো, আমরা বসে বসে আঙুল চুষবো?

বিএনপি সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকার নতজানু পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিরোধীদলের একটা ভাষা আছে, সরকারি দলের সিদ্ধান্ত তারা নতজানু আখ্যায়িত করে। কিন্তু কীভাবে নতজানু, সেটা একটু ব্যাখ্যা করে দিক।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিনে যে গুলিটা এসেছে, সেটা মিয়ানমার সরকার করেনি। এটা আরাকান আর্মি নামের যে বিদ্রোহীরা আছে, তাদের গুলি। সেখানে যে জাহাজের কথা বলা হয়, সে জাহাজ সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ২৫ আগস্ট যখন রোহিঙ্গারা স্রোতের মতো বাংলাদেশে ঢুকেছিল, তখনো অনেকে উসকানি দিয়েছিল। আমাদের আকাশসীমা কখনো-কখনো অতিক্রম করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন ওয়াশিংটনে। তখন সমস্ত বাহিনী প্রধানদের তিনি ফোন করে নির্দেশ দিতেন যে কোনো অবস্থাতেই আমরা যেন যুদ্ধে না যাই। মিয়ানমার উসকানি দিলে আমরা তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবো। একটা সমাধান বের করবো। যুদ্ধে জড়াবো না।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকারে আছি, আমাদের দায়িত্ব আছে, কর্তব্য আছে। সার্বভৌমত্ব চলে গেলে আমাদেরই ব্যথা লাগবে বেশি। কারণ এ জাতির মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধিকার লড়াইয়ে আমরা ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

তিনি আরো বলেন, ফখরুল তখন কী করেছেন, কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন, তা জানি না। এসব কথা বলে লাভ নেই। সার্বভৌমত্ব ঠিক আছে। সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘিত হলে, আলাপ-আলোচনার সময় পেরিয়ে যদি যায়, যদি সত্যিই তারা আক্রমণে আসে, তখন কী আমরা বসে থাকবো, আমরা বসে বসে আঙুল চুষবো? আমাদেরও পাল্টা জবাব দিতে হবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image