• ঢাকা
  • শনিবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২১ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

আফ্রিকার ৩৫ দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৪৩ পিএম
আফ্রিকার ৩৫ দেশে  দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে
দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে

বাণিজ্য ডেস্ক:  করোনাভাইরাস একদিকে আর অন্যদিকে ইউরোপে যুদ্ধের দামামা, এ কারণেই দ্বিমুখী সংকটে পড়তে যাচ্ছে বিশ্ববাণিজ্য। সংকট ভয়াবহ রূপ নিতে পারে আফ্রিকায়। বিশেষ করে আফ্রিকার ৩৫টি দরিদ্র দেশে দেখা দিতে পারে দুর্ভিক্ষ। এমনটাই বলছে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও)।

মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) ডব্লিউটিও জানিয়েছে, চলতি বছর বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি হবে মাত্র ৩ শতাংশ থেকে সাড়ে ৪ শতাংশ। এতে করে সমগ্র বিশ্বে বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোতে দেখা দিতে পারে ভয়াবহ খাদ্য সংকট।
 
গ্লোবাল ট্রেড ওয়াচডগের একটি প্রতিবেদন থেকে দেখা যায়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের চলমান সপ্তম সপ্তাহে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সৃষ্টি হয়েছে মারাত্মক অস্থিতিশীল অবস্থা। এর মধ্যে চীনে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব আর সাংহাইতে ঘোষিত লকডাউন ছিল অর্থনীতির জন্য মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। এতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার আগের থেকেও অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
 
এ ব্যাপারে ডব্লিউটিওর মহাব্যবস্থাপক গজি ওকোনজো আইওয়েলা বলেন, 'যুদ্ধ কেবল ইউক্রেনের সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই। যুদ্ধের ভয়াবহতা প্রতিধ্বনিত হচ্ছে সবখানে। এতে করে বৈশ্বিক অর্থনীতি পড়েছে ভয়াবহ সংকটে।'
 
তিনি আরও বলেন, 'এটা এখন পরিষ্কার যে একদিকে করোনাভাইরাস অন্যদিকে যুদ্ধের আবহে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে দেখা দিয়েছে মারাত্মক অব্যবস্থাপনা। এতে করে কমেছে বাণিজ্যিক প্রবৃদ্ধি, বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতির হার।'
 
ডব্লিউটিও জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক বাণিজ্য ৩ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। তবে এখনই নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা যায় না। কেননা বৈশ্বিক মহামারি ও যুদ্ধের কারণে অর্থনীতির সবকটি দিক অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
 
এ ছাড়া সরবরাহ সংকট তীব্র আকার ধারণ করায় খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে অকোনজো। মূলত বিশ্বের দুই বড় খাদ্য রফতানিকারী দেশ রাশিয়া ও ইউক্রেন তাদের রফতানি বন্ধ রাখায় আফ্রিকার ৩৫টি দেশে ভয়াবহ খাদ্যসংকট সৃষ্টি হতে পারে।

অকোনজো বলেন, 'আমাদের হিসাব করে চলতে হবে। এখন থেকেই খাদ্য সমন্বয় করতে না পারলে পরবর্তীতে ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি হতে হবে আমাদের। এ জন্য খাদ্যগুদাম থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্য রিলিজ দেওয়ার পাশাপাশি মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।'
 
একইভাবে ডব্লিউটিও'র প্রধান অর্থনীতিবিদ রবার্ট কুপম্যান বলেন, 'আমরা অত্যন্ত সংকটাপন্ন সময় অতিবাহিত করছি। বৈশ্বিক অর্থনীতি দোদুল্যমান পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।'
 
তিনি আরও বলেন, 'যদিও বলা হচ্ছিল বিশ্বায়নের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে, তবে আমি মনে করি এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা।' বৈশ্বিক অর্থনীতি একটি স্থিতিস্থাপক অবস্থায় গিয়ে পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই অর্থনীতিবিদ।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image