• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

বাংলা পৃথিবীর মধুরতম ভাষা: মোস্তাফা জব্বার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ০২ অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:১৬ এএম
শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা সফল হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ
মোস্তাফা জব্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক,  ময়মনসিংহ:   ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, বাংলা পৃথিবীর মধুরতম ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। বাঙালি তার জাতীয়তাবোধ এবং তার জাতিসত্ত্বা এমনভাবে ধারণ করেছে যা সারা পৃথিবী এখন কেবল স্বীকৃতিই দেয়নি  বরং সম্মান করে। বাংলাভাষা জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের সকল যোগ্যতা লাভ করেছে। তিনি বাংলাকে জাতিসংঘের অফিসিয়াল ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা সফল হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।.

মন্ত্রী গত ৩০ সেপ্টেম্বর  বৃহস্পতিবার রাতে  বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক , বাঙালি জাতিস্বত্ত্বার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার  ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে সাহিত্য সংগঠন পূর্ব-পশ্চিম আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।.

জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম –এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কবি আসাদ মান্নান, বিটিআরসি চেয়ারম্যান কবি শ্যাম সুন্দর সিকদার, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব অসীম কুমার দে, রাইটার্স ক্লাবের সভাপতি শেখ রবিউল হক, অধ্যাপক রসা চক্রবর্তী এবং কবি, তার স্ত্রী ও পুত্র প্রমূখ বক্তৃতা করেন।.

মন্ত্রী কবি মুহম্মদ নূরুল হুদার কর্ম ও জীবনের বিভিন্ন দিকের স্মৃতিচারণ করে বলেন,‘যেখানে বাংলা’ভাষা সেখানেই বাংলাদেশ’ বন্ধু কবি নূরুল হুদার এই উক্তির মধ্য দিয়ে বাংলা ও বাঙালির প্রতি এই কবির গভীর ভালবাসারই বহি:প্রকাশ ঘটেছে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দিয়ে বাংলাভাষাকে এক অনন্য উচ্চতায় উপণীত করে গেছেন।.

এরই ধারাবাহিকতায় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে ১৭ বার বাংলায় ভাষণ প্রদান করে বিশ্ব সভায় বাংলা ভাষার মর্যাদা  সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি বলেন, এবার জাতিসংঘে বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতি প্রদানে প্রধানমন্ত্রীর দাবি  আমাদের জন্য অত্যন্ত  গৌরবের।.

কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রবর্তক জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাভাষা সকল দিক থেকেই জাতিসংঘের দাপ্তরিক  ভাষার স্বীকৃতি পাওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা না হলে বাংলা  মূদ্রণে বৈপ্লবিক পরিবর্তন  ঘটানো সম্ভব হতো না। ১৯৬৮ সাল থেকে কবি নূরুল হুদার সাথে মন্ত্রী তার বন্ধুত্বের প্রসংগ তুলে ধরে বলেন,   নূরুল হুদার বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালকের দায়িত্ব প্রাপ্তি বাংলা একাডেমীর কর্মকাণ্ড আরও শাণিত করবে। মন্ত্রী কবির সাথে মেধাস্বত্ত্ব নিয়ে একসাথে কাজ করার মধুর অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন।  মন্ত্রী নূরুল হুদার জীবনের উত্তরোত্তর সফলতা  এবং সু-স্বাস্থা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।.

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তৃায় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাংলা ভাষার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করেন। তিনি কবি নূরুল হুদার জন্ম দিনের শুভেচ্ছা জানান এবং তার সু-স্বাস্থ ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।. .

ঢাকানিউজ২৪.কম /

তথ্যপ্রযুক্তি ও বিজ্ঞান বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image