• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৯ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

আমদানি-পরবর্তী অর্থায়ন নীতিমালার শর্ত শিথিল


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০২:৫৩ পিএম
আমদানি-পরবর্তী অর্থায়ন নীতিমালার শর্ত শিথিল
বাংলাদেশ ব্যাংক

ডেস্ক রিপোর্টার: বাংলাদেশ ব্যাংক জাহাজ সংকটসহ পণ্য সরবরাহ চেইন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন নীতিমালার শর্ত শিথিল করার নির্দেশনা দিয়েছে । মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ সংক্রান্ত জারিকৃত প্রজ্ঞাপন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
 
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশের কৃষিখাতসহ অন্যান্য জরুরি খাতে টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিকে সুসংহত করার জন্য দেশের আমদানি কার্যক্রমকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল রাখতে আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন নীতিমালায় সংশোধন আনা হয়েছে। রফতানি উন্নয়ন তহবিলের আওতায় দেওয়া ঋণ যে আমদানি পরবর্তী অর্থায়ন হিসেবে বিবেচিত হবে না তা নতুন প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে।
 
গত বছর জুনে এ খাতে ঋণসংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগে এসব ঋণের কোনো নীতিমালা ছিল না। ঋণের সুনির্দিষ্ট কোনো মেয়াদও ছিল না। ফলে আমদানি-পরবর্তী সময়ে ঋণ নিয়ে সেগুলো পরিশোধ না করে মেয়াদি ঋণে রূপান্তর করা হতো। বিশেষ অনেক এলসিটিআর মেয়াদি ঋণে রূপান্তর করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, আমদানি নিরুৎসাহিত করতে আমদানি-পরবর্তী অর্থায়নের এই নীতিমালা কঠোর করা হয়েছে। আমদানি করার পর অনেকে ঋণ শোধ করেন না। ফলে ব্যাংককে বিভিন্ন ধরনের ঋণ দিয়ে ওই দেনা শোধ করতে হয়। এর মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, বাণিজ্যিক পণ্য, শিল্পের কাঁচামালসহ বিভিন্ন খাতে আমদানির অর্থ পরিশোধের জন্য সব ধরনের ফান্ডেড ঋণ সুবিধার মধ্যে লোন অ্যাগেইনস্ট ট্রাস্ট রিসিপ্টসহ (এলটিআর) বিভিন্ন ঋণ দেওয়া হয়। এসব ঋণ আমদানি-পরবর্তী অর্থায়ন নামে পরিচিত হবে। এসব ঋণ নেওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। পরিশোধ না করলে ক্ষেত্রবিশেষে এক দফা মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এরপর আর বাড়ানো যাবে না। খেলাপি হয়ে যাবে।
 
ঋণের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য তথা- চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, মসলা, ভোজ্যতেলে আগের মতোই সর্বোচ্চ ৯০ দিনের জন্য অর্থায়ন করা যাবে। অন্যান্য ট্রেডিং পণ্যে এখন থেকে মেয়াদ হবে ১২০ দিন।
 
এ ছাড়া নতুন করে সার, বীজ, কীটনাশক ও কৃষি যন্ত্রপাতি এবং প্রাণিজ খাতের আমদানি পণ্য যেমন- মৎস্যসহ গৃহপালিত পশুপাখির প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপকরণ, ভ্যাকসিন, ওষুধের ক্ষেত্রে ১৮০ দিন মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্ট কাঁচামালের ক্ষেত্রে আগের সর্বোচ্চ ১৮০ দিন থেকে বাড়িয়ে ২১০ দিনের জন্য ঋণ দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image