• ঢাকা
  • বুধবার, ২৬ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৮ ফেরুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

শেরপুরে আনন্দঘন পরিবেশে বড়দিন উদযাপিত 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৩৩ পিএম
শেরপুরে
আনন্দঘন পরিবেশে বড়দিন উদযাপিত 

মো. জাহিদুল হক মনির, শেরপুর প্রতিনিধি : নানা আয়োজনের মধ্যদিয়ে শেরপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে বড়দিন উদযাপন করেছেন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষেরা। রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) প্রথম প্রহরে মহা খ্রীস্টযাগ, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রার্থনা, গোয়াল ঘরে যীশুকে স্থাপন, উপাসনা সংগীত, কেক কাটাসহ নানা আয়োজনে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ অংশ নেয়। 

দিনটির প্রথম প্রহরেই ঝিনাইগাতী উপজেলার মরিয়মনগর ধর্মপল্লীতে প্রার্থনায় যোগ দেন খ্রিস্টধর্মালম্বীর বিপুল সংখ্যক মানুষ। সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথের আহ্বানের বাণীতে শুরু হয় প্রার্থনা।

উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে চলে প্রার্থনা। প্রার্থনার মধ্যেই হয় কীর্তন। পরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ধর্মপল্লী চত্বরে কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক সাহেলা আক্তার। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মরিয়মনগর ধর্মপল্লীর পালপুরোহিত ফাদার বিপুল ডেভিড দাস সিএসসি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারুক আল মাসুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মো. আশরাফুল কবির, থানার ওসি (তদন্ত) মো. আবুল কাশেম, নলকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. রোকনুজ্জামান, উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারী অসিম ম্রং প্রমুখ। 

এদিকে বড়দিন উপলক্ষ্যে গির্জাকে আলোকসজ্জাসহ রঙিন সাজে সাজানো হয়েছে। গির্জার ভেতরের অংশ সুসজ্জিত করা হয়েছে নানা রঙের ফুল, বেলুন ও জরি দিয়ে। ভেতরে সাজানো হয়েছে ক্রিসমাস ট্রি। গির্জার ভেতওে ও বাহিরে করা হয়েছে আলোকসজ্জা।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, যিশুর জন্ম হয়েছিল গোয়ালঘরে। সেই স্মৃতিকে স্মরণ করে বড়দিনে গির্জাগুলোতে প্রতীকী গোয়ালঘর তৈরি করা হয়েছে। অনেকে তাদের বাড়িতেও তৈরি করেছেন গোয়ালঘর। 

মরিয়মনগর ধর্মপল্লীর পালপুরোহিত ফাদার বিপুল ডেভিড দাস সিএসসি বলেন, বড়দিনের সকালের প্রার্থনা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে প্রার্থনা সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া আরও প্রার্থনা হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গল কামনা, শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য প্রার্থনা হয়েছে। ভালোবাসা ও সম্প্রীতির বন্ধনে নিজ পরিবার ও সমাজের বসবাসের জন্য প্রার্থনা করা হয়েছে। 
প্রার্থনায় উপস্থিত ভক্তরা জানান, যীশু খ্রিস্টের জন্ম দিনে তারা সবাই আনন্দঘন পরিবেশে গীর্জায় এসে প্রার্থনায় যোগ দিয়েছেন। প্রতি বছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন তারা।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

উৎসব / দিবস বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image