• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২১ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৩ ফেরুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

আগামী জুনের মধ্যে কক্সবাজারে রেললাইন চালু হবে: রেলমন্ত্রী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৫২ পিএম
আগামী জুনের মধ্যে কক্সবাজারে রেললাইন চালু
রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন

জাফর আলম, কক্সবাজার প্রতিনিধি : রেলপথমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আগামী জুনের মধ্যে দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন চালু হবে। তখন সারা দেশ থেকে ট্রেন সরাসরি কক্সবাজারে যাবে। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) বৃহস্পতিবার দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত নতুন রেললাইন নির্মাণ প্রকল্প পরিদর্শনের সময় কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশনে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‌‘একসময় এটি স্বপ্ন ছিল, এখন সেটা বাস্তবায়নের পথে। কক্সবাজারবাসী যেমন অপেক্ষায় আছে, তেমনি সারা দেশের মানুষ ট্রেনে করে পর্যটননগরী কক্সবাজার আসার জন্য অপেক্ষায় আছে। আশা করা যাচ্ছে আগামী বছরের জুনের মধ্যে কাজ সম্পন্ন হবে।

কক্সবাজারে চলাচলের জন্য ট্যুরিস্ট কোচের আদলে উন্নত মানের কোচ দ্বারা ট্রেন চালানো হবে। এ জন্য নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ৫৪টি কোচ কেনা হবে। যেগুলোর জানালা সুপ্রশস্ত। মানুষ অনায়াসে প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখার সুযোগ পাবে বলে মন্ত্রী জানান।কাজের অবগতি সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

মন্ত্রী এ সময় নির্মাণাধীন আইকনিক স্টেশন বিল্ডিংয়ের বিভিন্ন তলা ঘুরে দেখেন। পরে পরিদর্শন কারে প্রায় ৩০ কিলোমিটার ন‌তুন লাইন পরিদর্শন করেন তিনি।আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে স্টেশন বিল্ডিংয়ের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান। ইতোমধ্যে ৬০ কিলোমিটার রেললাইন সম্পন্ন হয়েছে।এ সময় কক্সবাজারের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) কামরুল আহসান, বাংলাদেশ রেলওয়ের (পূর্বাঞ্চল) মহাব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেন সহপ্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, দোহাজারী থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত মোট ১০০ কিলোমিটার সিঙ্গেল লাইন ডুয়েল গেজ রেলপথ নির্মিত হচ্ছে। 

পুরো প্রকল্পে ৩৯টি মেজর ব্রিজ এবং ২৪২টি কালভার্ট রয়েছে। হাতি চলাচলের জন্য আন্ডারপাস ও ওভাপাস নির্মাণ করা হচ্ছে। রেললাইনটা নির্মিত হলে ট্রান্স‌ এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে সংযোগ স্থাপিত হবে।

পর্যটন শহর কক্সবাজারকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আনা হবে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ আরামদায়ক, সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব যোগাযোগব্যবস্থার প্রবর্তন হবে। সহজে ও কম খরচে মাছ, লবণ, রাবারের কাঁচামাল এবং বনজ ও কৃষিজ দ্রব্যাদি পরিবহন করা সম্ভব হবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image