• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৯ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০২ ফেরুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন, ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ইসির


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৪৭ পিএম
গাইবান্ধা-৫ উপনির্বাচন
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল

নিউজ ডেস্ক : সিইসি বলেন, আগামী সপ্তাহে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তফসিল ঘোষণা করা হবে। ওই নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও এসপির কোনো অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি।

গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়ম ও দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ মেলায় রিটার্নিং কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের পাঁচ উপপরিদর্শকসহ ১৩৪ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ওই ব্যক্তিদের মধ্যে ১২৬ জন প্রিসাইডিং অফিসার।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। ভোটে অংশ নেয়া কোনো প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি নির্বাচন কমিশন।

সিইসি জানান, নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও এসপির কোনো অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি।

আগামী সপ্তাহে গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তফসিল ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।

কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে সিইসি বলেন, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা ব্যতীত অন্য সংস্থা বা বিভাগ থেকে নির্বাচনে দায়িত্বে আসা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে স্ব-স্ব নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ওই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে এক মাসের মধ্যে ইসিকে অবহিত করতে হবে।’

গত জুলাইয়ে সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার মৃত্যুতে গাইবান্ধা-৫ আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

গত ১২ অক্টোবর গাইবান্ধা-৫ আসনে উপনির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্র সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকার নির্বাচন ভবনে বসে মনিটরিং করে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন। এতে অনিয়ম ধরা পড়লে ভোট গ্রহণের চার ঘণ্টার মাথায় ১৪৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫১টি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার দেড় ঘণ্টা আগে ‍পুরো ভোট বন্ধ ঘোষণা করে ইসি।

ভোট বন্ধের ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা-সমালোচনায় পড়ে বর্তমান কমিশন। এরপর এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই তদন্ত কমিটি করে আউয়াল কমিশন।

কাজী হাবিবুল আউয়াল তার কমিশনের লিখিত সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরে বলেন, তদন্তে প্রমাণিত যে ১২৫ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। সেসব কর্মকর্তার নামের তালিকা সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর ধারা ৫ অনুযায়ী তাদের স্ব-স্ব নিয়ন্ত্রণকারী/নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করবে।

নিয়ন্ত্রণকারী/নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ দায়িত্ব পালনে অবহেলা তথা অসদাচরণের কারণে তাদের বিরুদ্ধে চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে কমিশনকে এক মাসের মধ্যে অবহিত করবে।

সিইসি বলেন, একটি কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও উদয়ন ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলামকে নির্বাচন কর্মকর্তা আইনে চাকরি থেকে দুই মাসের জন্য সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে।

তিনি জানান, এর বাইরে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

দোষী নির্বাচনী এজেন্টদের পরবর্তী নির্বাচনে এজেন্ট হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না জানিয়ে সিইসি বলেন, ভবিষ্যতে নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনের কঠোরতম ধারায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিইসি আরও বলেন, যারা বিভিন্ন প্রার্থীর এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদের শনাক্ত করে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image