• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২০ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ-নেপাল পিটিএ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:০৬ পিএম
বাংলাদেশের ভোক্তাশ্রেণির সংখ্যা অনেক বেশি, বি
বাংলাদেশ-নেপাল সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর

নিউজ ডেস্ক:  মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর (ডিসিসিআই) মিলয়ানতনে ’বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বাণিজ্য সচিব একথা জানান।

বাণিজ্য সচিব জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি হতে উত্তোরণ ঘটবে। বাংলাদেশের ভোক্তাশ্রেণির সংখ্যা অনেক বেশি, বিশেষ করে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন খাতে নেপালের উদ্যোক্তারা এদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে দি কনফেডারেশন অব নেপালিজ ইন্ডাস্ট্রিজ (সিএনআই) এবং ডিসিসিআই মধ্যে একটি সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান এবং সিএনআই সভাপতি বিষ্ণু কুমার আগারওয়াল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সহযোগিতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সিএনআই সভাপতি বিষ্ণু কুমার আগারওয়ালের নেতৃত্বে সফররত দেশটির ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে রিজওয়ান রাহমান বলেছেন, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশ ও নেপালের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭৩ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানির পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৪ দশমিক ৮১ এবং ৬৮ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, ঔষধ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পাটপণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং প্রভৃতি খাত বিদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে, নেপালের প্রতিনিধিদলকে এসব খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

সিএনআই সভাপতি বিষ্ণু কমুার আগারওয়াল বলেছেন, নেপাল সেবাখাত নির্ভর অর্থনীতি হতে উৎপাদনখাত নির্ভর অর্থনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, অবকাঠামো, ম্যানুফেকচারিং, তথ্য ও প্রযুক্তি প্রভৃতি খাতে নেপালে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

সেই সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ডিসিসিআই হতে নেপালে প্রতিনিধিদল পাঠানোর আহ্বান জানান। সিএনআই সহ-সভাপতি নির্ভানা চৌধুরী জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান চৌধুরী গ্রুপ ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ভোগ্যপণ্য খাতে বিনিয়োগ করেছে এবং বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে একটি উৎকৃষ্ট গন্তব্যস্থল হিসেবে মনে করেন ।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত নেপাল দূতাবাসের চার্জ ডি এ্যাফেয়ার্স কুমার রায় বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে তিনি দুই দেশের বেসরকারি খাতে উদ্যোক্তাদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

সমুদ্র অর্থনীতি এবং হাইটেক শিল্প উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলে অভিহিত করে রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করে বলেছেন বাংলাদেশ শীঘ্রই এ পরিকল্পনার সুফল ভোগ করবে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image