• ঢাকা
  • শনিবার, ৯ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমাতে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-চীন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০:৩৩ এএম
বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এর পতাকা

নিউজ ডেস্ক:  জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র আগামী দশকজুড়ে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হয়েছে। স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে কপ২৬ জলবায়ু সম্মেলন থেকে এ বিষয়ে অপ্রত্যাশিতভাবে যৌথ ঘোষণা আসে।

দুই দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তিতে নির্ধারিত ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সীমাবদ্ধ থাকার লক্ষ্য অর্জনে একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপারে তারা দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। সে দুই দেশের পক্ষ থেকে একটি বিরল যৌথ ঘোষণায় জলবায়ু বিপর্যয় রোধে পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলো। ব্যবধানগুলো ধাপে ধাপে কমিয়ে আনতে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে দেশ দুটি।

এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন পরিবেশবাদী আন্দোলনকর্মী ও রাজনীতিবিদরা। জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ঘোষণাকে বেশ জরুরি ও উৎসাহজনক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। তবে গ্রিনপিস বলছে, দুই দেশের আরও বেশি বেশি প্রতিশ্রুতি দেওয়া উচিত ছিল।

২০১৫ সালে প্যারিসে বিশ্বনেতারা কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গমন হ্রাসের মাধ্যমে বিশ্বের উষ্ণতা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে সে লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে যে ঘাটতি রয়ে গেছে, তাও পূরণের প্রতিশ্রুতি এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যৌথ ঘোষণায়।

চীনের শীর্ষ জলবায়ু আলোচক শি জেনহুয়া সাংবাদিকদের বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যতটা না মতপার্থক্য আছে, তার চেয়ে বেশি মতৈক্য রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু দূত জন কেরি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে মতপার্থক্যের কোনো অভাব নেই। কিন্তু জলবায়ুর সংকট নিরসন বিষয়ে সহযোগিতার মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করাই একমাত্র উপায়।

বিবিসি জানিয়েছে, মিথেন নির্গমন, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে এসে ক্লিন এনার্জিতে রূপান্তর এবং কার্বন নির্গমন রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে যৌথ পদক্ষেপ নিতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। তবে এর আগে চীন মিথেন গ্যাস নির্গমন রোধে ১০০ দেশের চুক্তিতে সই করতে অসম্মতি জানিয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের ঘোষণার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন প্রেশার গ্রুপ ডব্লিউডব্লিউএফের যুক্তরাষ্ট্রের জলবায়ু নীতি অ্যাকশনের পরিচালক জেনেভিভ মেরিকেল। তিনি বলেছেন, কপ২৬ সম্মেলনের খুব গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে এ ঘোষণাটি এসেছে এবং এ ঘোষণা নতুন আশা দেয় যে, বিশ্বের দুই শক্তির কাছ থেকে যথাযথ সমর্থন ও সহযোগিতা পাওয়া যাবে। খবর বিবিসি, এএফপি ও দ্য গার্ডিয়ানের।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আবহাওয়া / পরিবেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image