• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ফারদিনের মৃত্যুর কারন নিশ্চিত না ডিবি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:১৫ পিএম
ফারদিনের মৃত্যু নিশ্চিত নয় ডিবি
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ফারদিন নূর পরশ

নিউজ ডেস্ক : ডিবির প্রধান বলেন, মাদকের কারণে সে (ফারদিন) খুন হয়েছে, এই কথা আমরা বলছি না। আবার এক নম্বর আসামি যাকে করা হয়েছে, তিনি খুন করেছেন, সেটাও আমরা বলছি না।

মাদক কিনতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর বিষয়ে খবর প্রকাশ হলেও ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) বলছে, এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ফারদিন হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান ডিবির প্রধান হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন ঢাকা কিংবা ঢাকার বাইরে কোনো ঘটনা ঘটলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দক্ষ টিম কাজ করে। অনেক সময় লেগেছে এমন ঘটনা এর আগেও অনেক ক্লু উদঘাটন করেছি। নিহতের বাবা প্রথমে একটি জিডি করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি মামলা করেন।

‘মামলায় এক নম্বর আসামি বুশরাকে গ্রেপ্তার করেছি। পাশাপাশি মামলার এফআইআরে তার নাম আসায় আমরা মনে করছি না যে, সে-ই দায়ী। সে রিমান্ডে এসেছে। তার সঙ্গে আমরা কথা বলছি।

ফারদিনের লোকেশন নিয়ে হারুন বলেন, ‘ঢাকা শহরে ফারদিন যেখানে যেখানে গিয়েছিলেন আমরা বিভিন্ন টেকনিক্যাল মাধ্যম ব্যবহার করে খুঁজে বের করেছি, তবে কংক্রিট কোনো তথ্য বের করতে পারিনি বলে এখনই কিছু বলছি না। আমাদের কাজ চলছে এবং আমরা মনে করি ডিবির টিম রাত-দিন কাজ করে যাচ্ছে।

মাদকসংক্রান্ত কারণে ফারদিন খুন হয়েছেন কি না জানতে চাইলে ডিবির প্রধান বলন, ‘আমরা এই কথা এখনই বলছি না যে, সে মাদকের কারণে হয়েছে অথবা এক নম্বর আসামি যাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি, সেই খুন করেছে, এটাও আমার বলছি না। পারিপার্শ্বিক বিভিন্ন বিষয় বিচার-বিশ্লেষণ করছি।

ডেমরার চনপাড়া বস্তিতে ডিবির অভিযান চলছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে হারুন অর রশীদ বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে শুধু চরপাড়া বস্তি কেন আমরা নারায়ণগঞ্জ গিয়েছি, ডেমরা ও খিলগাঁওসহ সব জায়গায় ডিবির টিম কাজ করছে।’

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে ফারদিন মাদকাসক্ত ছিলেন। এমন কোনো তথ্য পেয়েছেন কি না জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘ডিবির পক্ষ থেকে আমরা কখনোই বলিনাই যে সে (ফারদিন) চনপাড়া গিয়ে মাদকের কারণে মারা গেছে। আমাদের টিম সবগুলো বিষয় নিয়ে কাজ করছে। একচুয়ালি কী ঘটনা, তা আমরা এখনও বের করতে পারিনি।’

রাজধানীর রামপুরা থেকে নিখোঁজের তিন দিন পর ৭ নভেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে নারায়ণগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে বুয়েটের ছাত্র ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ফারদিনের বান্ধবী বুশরা এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনের নামে ৯ নভেম্বর গভীর রাতে রামপুরা থানায় হত্যা মামলা করেন বুয়েটছাত্রের বাবা নূর উদ্দিন রানা। ১০ নভেম্বর সকালে রাজধানীর রামপুরা এলাকার একটি বাসা থেকে বুশরাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image