• ঢাকা
  • রবিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২২ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

আজ দোল পূর্ণিমা কাল হোলি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৮ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:১৩ এএম
দোল
বিভিন্ন রং এর আবির, ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক: আজ বিশ্বের বৃহত্তম রঙের উত্‍সব দোল বা হোলি। বাংলায় এটি দোলযাত্রা, দোল পূর্ণিমা বা দোল উত্‍সব নামে পরিচিত। বাংলাদেশে বিভিন্ন মঠ মন্দিরে আজ পালিত হচ্ছে দোল উৎসব। এই উৎসবের পরদিন পালিত হয় হোলি উৎসব। দোল ও হোলি উৎসব একই। তবে ইতিহাসে আছে ভিন্নতা। উভয় উৎসব ভগবান নারায়ণকে ঘিরে। দ্বাপর যুগে নারায়ণ তার প্রিয়তম সখা রাধাকে নিয়ে দোল খেলেন পূর্ণিমা রাতে। তখন এটি হয়ে যায় দোল উৎসব। এর আগে সত্যযুগে নারায়ণের ভক্ত প্রহলাদকে মারতে গিয়ে অসুর সম্রাট হিরন্যাকশিপুর বোন হোলিকা নিজেই আগুনে পুড়ে মারা যান। সেদিনকে স্মরণ করে পালন করা হয় হোলি উৎসব। 

তবে ভারতের অন্যত্র বেশিরভাগ জায়গাতেই রঙের উত্‍সবকে হোলি বলা হয়। সবার রঙে রঙ মেলাবার দিন এটি। একটা বিষয় লক্ষ্য করার মতো। দোল ও হোলির মধ্যে একদিনের পার্থক্য থাকে। বাঙালিরা যেদিন দোল খেলেন তার পরের দিন হোলি পালিত হয়। একই উত্‍সব, একই রীতি রেওয়াজ, তবে ভিন্ন ভিন্ন দিনে। কেন একই উত্‍সব এক দিন আগে পরে

রাধা-কৃষ্ণের প্রেম

এর কারণ দোল ও হোলি পালনের যে মূল উত্‍স্য কথা সেটিই আলাদা। দোলযাত্রা বা দোল পূর্ণিমা পালিত হয় রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনির ওপর ভিত্তি করে। আর হোলি পালন করা হয় নৃসিংহ অবতারের হাতে হিরণ্যকশিপু বধ হওয়ার যে পৌরাণিক কাহিনি, তার ওপর ভিত্তি করে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল শ্রীকৃষ্ণ এবং নৃসিংহ অবতার উভয়ই ভগবান বিষ্ণুর অবতার। হিন্দু পঞ্জিকা অনুসারে ফাল্গ‌ুন মাসের পূর্ণিমা রাতের পরের দিন দোল উত্‍সব পালন করা হয়। মনে করা হয় এদিনেই রাধা ও তাঁর সখীরা দল বেঁধে রং খেলায় মেতে উঠেছিলেন। সুগন্ধি ফুলের কুড়ির রং তাঁর মুখে মাখিয়ে কৃষ্ণ। সেদিনই কৃষ্ণ রাধার প্রতি তাঁর প্রেম নিবেদন করেছিলেন বলে মনে করা হয়।

হোলিকা দহন

অন্যদিকে পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে রাক্ষস রাজা হিরণ্যকশিপুর পুত্র প্রহ্লাদ ছিলেন পরম বিষ্ণুভক্ত। সেই কারণে প্রহ্লাদকে হত্যা করার জন্য হিরণ্যকশিপুর বোন হোলিকা প্রহ্লাদকে আগুনে নিক্ষেপ করার পরিকল্পনা করেন। বিষ্ণুর কৃপায় আগুন প্রহ্লাদকে স্পর্শ করতে না পারলেও সেই আগুনে পুড়ে মারা যান হোলিকা। তার হোলি হল অশুভ শক্তির পরাজয় ও শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক। তাই হোলির আগের দিন হোলিকা দহন পালন করা হয়। দোলের আগের দিন বাঙালিরাও ন্যাড়া পোড়া বা বুড়ির ঘর পোড়ানো পান করেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / সুমন দত্ত

উৎসব / দিবস বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image