• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৭ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

সিলেট জুড়ে সংকটে ভোজ্যতেল ক্রেতারা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৯ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১:২৪ এএম
সংকটে ভোজ্যতেল ক্রেতারা
ভোজ্যতেল

সিলেট প্রতিনিধি: প্রতিনিহত বাড়ছে ভোজ্যতেলের দাম। আর এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা । সিলেট জুড়ে ভোজ্যতেলের গভীর সংকট দেখা দিয়েছে। দোকানে গিয়ে পাওয়া যাচ্ছেনা  তেল। আবার কিছু দোকানে তেল মিললেও বিক্রি হচ্ছে নতুন দামে। এমন পরিস্থিতি শুধু সিলেট নগরীই নয়, শহর গ্রাম সবখানে।

এমতাবস্থায় বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে নতুন বাড়তি দামে তেল কিনছেন, আবার কাউকে তেল না কিনে খালি হাতে ফিরতে দেখা গেছে।

নগরীর কালিঘাট, মহাজনপট্টির পাইকারী দোকান, আম্বরখানা ও সুবিদবাজার সহ নগরীর সব পাইকারী ও খুচরা দোকানে খোঁজ নিয়ে এই চিত্র দেখা গেছে। সরকার কর্তৃক সয়াবিন তেলের দাম ৩৮ টাকা বৃদ্ধির সংবাদে ভোজ্য তেলের এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে মনে করেন ক্রেতা সাধারণ।

এদিকে তেলের দাম বৃদ্ধি ও সংকটের জন্য বিভিন্ন কোম্পানী ও ডিলারদের দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা। ঈদের পূর্বে থেকে বিভিন্ন  কোম্পানীর ডিলাররা চাহিদার অর্ধেক তেল সরবরাহ করেছে। এছাড়া ঈদের ছুটির পরও নতুন করে  তেল সরবরাহ না করায় তেলের মজুত ফুরিয়ে গেছে।

সরকার কর্তৃক বৃহস্পতিবার (৫ মে) সয়াবিন তেলের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে বোতলজাত প্রতি লিটার সয়াবিন তেল খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হবে ১৯৮ টাকায়। আর ৫ লিটারের বোতলের দাম হবে ৯৮৫ টাকা। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮০ টাকা এবং খোলা পাম তেল প্রতি লিটার ১৭২ টাকায় বিক্রি হবে।

রোববার ( ৮ মে) নগরীর কয়েকটি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ১ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের গায়ে দাম লেখা আছে ১৬৮ টাকা। কিন্তু আদায় করা হচ্ছে ১৯৮ টাকা। অথচ নতুন দামের তেল এখনো বাজারে আসেনি। এভাবে ৫ লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের গায়ে ৭৬০ টাকা মূল্য লিখা থাকলেও আদায় করা হচ্ছে ৯৮০ টাকা। আবার কোন কোন দোকানে তেল কিনতে দেয়া হচ্ছে শর্ত। ক্রয় করতে বাধ্য করা হচ্ছে অন্যান্য পণ্য। তেল কিনতে গিয়ে ঘরে থাকার পরও অন্য পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন অনেকে।

নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় একটি পাইকারী দোকানে গিয়ে দেখা গেছে, সব পণ্য সাজিয়ে রাখা হলেও  কেবলই নেই সয়াবিন তেল। অথচ কয়দিন আগেও দোকানের সম্মূখদিকের জায়গায় সারিবদ্ধভাবে রাখা সাজিয়ে রাখা হতো ভোজ্যতেল। সয়াবিন তেলের কথা জিজ্ঞেস করতেই দোকানের কর্মচারী জানালো তেল নেই।

অন্য একটি দোকানে গিয়ে তেল পেলেও ১ লিটারের দাম হাঁকানো হয়েছে ২শ টাকা। কারণ জানতে চাইলে  দোকানদার বলেন, ডিলাররা তেল দিচ্ছেনা। আমরা ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে গায়ের মূল্যের চাইতে বেশী দামে তেল ক্রয় করেছি। কারণ আমাদের স্থায়ী কিছু ক্রেতা রয়েছেন তারা অন্যান্য পণ্য ক্রয় করে থাকেন।

এজন্য আমাদেরকে তেল কিনে রাখতে হচ্ছে। তখন অন্য ক্রেতাদের কাছে আমাদেরকে নতুন দামে তেল বিক্রি করতে হচ্ছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / আবুল কাশেম রুমন/কেএন

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image