• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৭ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১২ আগষ্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

মিঠামইনে পুত্রবধূর ‘আত্মহত্যায়’ শ্বশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০১:১২ পিএম
শ্বশুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ
আত্মহত্যা

মিঠামইন প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ:  ছয় মাস আগে কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে শ্বশুরের দ্বারা ধর্ষিত এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে শ্বশুরকে আটক করেছে মিঠামইন থানা পুলিশ। শুক্রবার রাত ১১টায় উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের পাতারকান্দি এলাকা থেকে অভিযুক্ত ওই শ্বশুরকে আটক করা হয়।মিঠামইন থানার ওসি কলিন্দ্র নাথ গোলদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগীর মা পরিস্কার বানু জানান, দুই বছর আগে উপজেলার ঢাকী ইউনিয়নের পাতারকান্দি গ্রামের একাব্বর মিয়ার ছেলে দিদারের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তার কন্যা শামসুন্নাহারের। বিয়ের কিছুদিন পর দিদার কাজ করতে চলে যান চট্টগ্রাম। ছুটি নিয়ে তিনি মাঝে মাঝে বাড়িতে আসতেন। ফাঁকা বাড়িতে একাই থাকতেন শামসুন্নাহার। এই সুযোগে ৬ মাস আগে ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন শ্বশুর একাব্বর। পরে ভুক্তভোগী মোবাইল ফোনে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে তিনি বাড়িতে আসেন। বাড়ি এসে বাবার সঙ্গে রাগারাগি করে শামসুন্নাহারকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ঢাকী ইউনিয়নের গোবিন্দ পুর চলে যান দিদার। আর এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলতে নিষেধ করেন স্ত্রীকে এবং কিছুদিনের মধ্যেই আবারও চট্টগ্রাম চলে যান তিনি। এরপর শামসুন্নাহারের সঙ্গে ধীরে ধীরে যোগাযোগ কমাতে থাকেন স্বামী দিদার।

এক পর্যায়ে তিনি শামসুন্নাহারকে বলেন, ‘তুমি আমার বাবার সঙ্গে খারাপ কাজ করেছো। এখন তোমার সঙ্গে কিভাবে যোগাযোগ রাখি। আর কীভাবেই বা আমার বাড়িতে নিই। এ অবস্থায় বেশ কিছুদিন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ ছিল। সম্প্রতি দিদার ফোন করে শামসুন্নাহারকে জানান, স্ত্রীকে আর ঘরে নেবেন না তিনি। এই অপমান সহ্য করতে না পেরে শুক্রবার ২৪শে জুন সকাল ১১টার দিকে বাবার বাড়ি গোবিন্দ পুরে গলায় উড়না পেচিয়ে আত্মহত্যা করেন শামসুন্নাহার। শামসুন্নাহারের মা বলেন, এখন থানায় আছি। মামলা করার জন্য এসেছি।

এখানেও একাব্বরের লোকজন বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য চাপ দিচ্ছে। মিঠামইন থানার ওসি কলিন্দ্র নাথ গোলদার বলেন, ‘নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় একাব্বরকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ থানায় রয়েছে।

এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মিঠামইন থানার ওসি কলিন্দ্র নাথ গোলদার বলেন, ‘নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় একাব্বরকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ থানায় রয়েছে। শুক্রবার রাতেই শামসুন্নাহারের মা ২জনকে আসামী করে মিঠামইন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। ২৫ শে জুন শনিবার সকালে আসামী একাব্বরকে কোটে প্রেরন করা হয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / বিজয়কর রতন/কেএন

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image