• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২০ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

নারায়ণগঞ্জে গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের অগ্নিদগ্ধ ৪


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১:৪৫ এএম
গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের অগ্নিদগ্ধ ৪
গ্যাস বিস্ফোরণে অগ্নিকান্ড

ডেস্ক রিপোর্টার: গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জন দগ্ধ হয়েছেন। মঙ্গলবার (১০ মে) ভোর ৫টার দিকে ফতুল্লা পোস্ট অফিস এলাকার একটি টিনশেড বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

অগ্নিদগ্ধরা হলেন- হোশিয়ারি কারখানা শ্রমিক রোজিনা আক্তার (৩৩), তার স্বামী রিকশা চালক আনোয়ার হোসেন (৪০), একই দম্পতির দুই ছেলে হোশিয়ারি কারখানা শ্রমিক রোমান (১৭) ও স্কুলছাত্র রোহান (৯)।

অগ্নিদগ্ধদের রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। আনোয়ারের বাড়ি বরিশালের হিজলায় এবং রোজিনার বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায়।

রোজিনা জানান, ভোরে তিনি জেগে ছিলেন। তবে বাসার ভেতর স্বামী ও দুই ছেলে ঘুমিয়ে ছিলেন। তখন হঠাৎ বাসার ভেতর বিস্ফোরণ হয় এবং দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। সেই আগুন মুহূর্তেই তাদের শরীরে লেগে যায়। ঘুমন্ত অবস্থা থেকে স্বামী-সন্তানদের তুলে দৌড়ে বাড়ির বাইরে বের হন তিনি। তবে ততক্ষণে ঝলসে যান ৪ জনই।

আনোয়ার হোসেনের ভাবি রুনা আক্তার অভিযোগ করেন, ওই বাড়িটির পাশ দিয়ে অন্য বাড়ির একটি গ্যাস লাইন নেওয়া হয়েছে। পুরাতন সেই পাইপ লাইনটির রাইজার ছিল আনোয়ারদের ঘরের জানালার পাশে। সেখান থেকে সব সময়ই গ্যাস বের হতো। সবসময়ই গ্যাসের গন্ধ পেতেন তারা। এটি বাড়ির মালিককে বারবার বলা হয়েছে মেরামত করে দিতে। তবে তা ঠিক করে দেয়নি। এ জন্য ২-৩ মাস ধরে পরিবারটি বাসাটি ছেড়ে দিতে চাইছিল। তবে বিভিন্ন কারণে ছাড়তেও পারছিল না।

রুনা আক্তারের অভিযোগ, ঠিক সময়ে এটি মেরামত করে দিলে আজ এ দুর্ঘটনা ঘটত না।

ফতুল্লা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আলম হোসেন বলেন, বাড়ির পেছনে গ্যাস লাইনের রাইজারের লিকেজ থেকে ভোর পাঁচটায় আগুন লেগে বাড়িতে ছড়িয়ে যায়। এ সময় ঘরে ঘুমিয়ে থাকা আনোয়ার হোসেন, তার স্ত্রী রোজিনা বেগম, দুই শিশু ছেলে রোহান ও রোমান দগ্ধ হন। আগুনে ঘরের সব আসবাবপত্র পুড়ে যায়। আগুনের খবর পেয়ে দমকল কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভান। পাশাপাশি দগ্ধদের উদ্ধার করে নিজস্ব অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে রাজধানীর শেখ হাসিনা বার্ন ইনইস্টিটিউটে পাঠান।

এদিকে, বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এসএম আইউব হোসেন জানান, রোজিনার শরীরের ১৪ শতাংশ, আনোয়ারের ১৭, রোহানের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের ৩ জনকে ভর্তি রাখা হয়েছে। আর রুমানকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

দুর্ঘটনা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image