• ঢাকা
  • শনিবার, ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

নীলফামারীতে তিস্তা সেচ প্রকল্পে আমন আবাদে সুবিধা 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ আগষ্ট, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০২:০৬ পিএম
কৃষকের আমন আবাদে বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্প
ফাইল ছবি

নিউজ ডেস্ক: এবার অনাবৃষ্টির দুর্যোগে আমন আবাদ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষক। এটি কাটিয়ে ১৫ হাজার কৃষকের আমন আবাদের সুযোগ করে দিয়েছে বুড়ি তিস্তা সেচ প্রকল্প। 

দীর্ঘ ১০ বছর বন্ধ থাকা প্রকল্পটি থেকে এবার সেচ সুবিধা পেয়ে আমন চারা রোপণ এবং পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন এসব কৃষক।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় দীর্ঘ ১০ বছর বন্ধ ছিল প্রকল্পটির কার্যক্রম। সে মামলার সমাপ্তি ঘটলে অনাবৃষ্টির এ দুূর্যোগে বিশেষ ব্যবস্থায় এবার চালু করা হয় সেচ কাজ। বর্ষার এ সময়ে যে পরিমান বৃষ্টির প্রয়োজন জেলায় এবার তার অর্ধেকও পাওয়া যায়নি। ফলে চলতি আমন আবাদে অনাবৃষ্টির ধকল থেকে রক্ষা পেয়েছে ১৫ হাজার কৃষক।

গতকাল ওই প্রকল্প এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে কৃষকের ব্যস্ততা। সেচের পানিতে অনেকেই ব্যস্ত আমন চারা লাগানোর কাজে। কেউবা ব্যস্ত পরিচর্যায়।
জলঢাকা উপজেলার গোলনা ইউনিয়নের খারিজা গোলনা গ্রামের কৃষক মহির উদ্দিন (৫৫) বলেন,‘এবার আকাশোত পানি নাই, জমি শুকি আছে। দুই বিঘা জমিত আমন চারা লাগেবার জন্য খুব চিন্তাত আছিনু। সেই চিন্তা মোর দূর করিলেক বুড়ি তিস্তার নালার পানি। ওই পানি দিয়া জমিত রোয়া লাগেয়া এলা আদি করেছ।’

একই গ্রামের কৃষক রশিদুল ইসলাম (৫০) ওই সেচ প্রকল্পের সুবিধায় এবার জমিতে আমন চারা রোপণ চার বিঘায়। তিনি বলেন,‘এইবার আকাশের ভাও খারাপ। নালার পানি দিয়া আবাদ করেছ। ওই আবাদ দিয়া মোর সংসার চলে।’

প্রকল্প এলাকায় পাঁচ বিঘা আমন আবাদ করেছেন কৃষক আতাউর হমান (৪০)। তিনি বলেন,‘আকাশের পানির অপেক্ষায় ধান লাগেবার সময় প্রায় শ্যাষের দিকে। স্যালো দিয়া পানি দিতে বিঘায় ৮০০ টাকা লাগে, টাকাও যোগাড় করির পারেছ না। এর মধ্যে বুড়ি তিস্তা ক্যানেলোত পানি দিয়া হামার ভাগ্য খুলি দিলেক।’

প্রকল্পটিকে আধুনিকায়নে ‘প্রকল্পের অবকাঠামো সংস্কার, নির্মাণ ও রিজার্ভার খননের জন্য সম্প্রতি একনেকের সভায় ১২০ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।’   

ঢাকানিউজ২৪.কম / সিয়াম

কৃষি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image