• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৯ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

বাজেটে নেই শ্রমিকদের আলাদা বরাদ্দ: রেশনিং ব্যবস্থার দাবি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১২:২০ পিএম
বাজেটে নেই, শ্রমিকদের, আলাদা বরাদ্দ, রেশনিং, ব্যবস্থার, দাবি
সংবাদ সম্মেলন।

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় বাজেটে শ্রমিকদের জন্য আলাদাভাবে কোন খাত বরাদ্দ না দেয়া এবং শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু না করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন। 

শনিবার (২২ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি এড. মাহবুবুর রহমান ইসমাইল এ দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবুর রহমান ইসমাইল বলেন, "সরকারের ঘোষিত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ৫৩তম জাতীয় বাজেটে ৭ লক্ষ ৯৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি অবদানকারী ৬ কোটি শ্রমিকের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়নি। সরকারের অর্থ ও শ্রম মন্ত্রণালয়ে এবং জাতীয় সংসদে ৮ দফা দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও তা উপেক্ষিত হয়েছে।"

তিনি আরও উল্লেখ করেন, "জিডিপির উন্নয়নের সূচক ৫.৭% এবং মাথাপিছু আয় ৩ লাখ ৬ হাজার ১৪৪ টাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ পোশাক শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড ৫ জন শ্রমিক পরিবারের জন্য ১২,৫০০/- টাকা নির্ধারণ করেছে, যা একজন শ্রমিকের মাসিক আয় মাত্র ২৫০০/- টাকা দাঁড়ায়। এই বৈষম্যমূলক আয় নির্ধারণ শ্রমিকদের জীবনে কোন পরিবর্তন আনতে পারেনি।"

মাহবুবুর রহমান উল্লেখ করেন, "দেশের ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ১৪ কোটি মানুষের নিজস্ব আবাসন নেই এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সম্পদ ও খাদ্য বৈষম্য ব্যাপকভাবে বেড়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি, বাসা ভাড়া, গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির ফলে শ্রমিক পরিবারগুলি দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করছে।"

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, "সরকারিভাবে ১৪ লক্ষ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য বেতন-ভাতার বরাদ্দ ৮১ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। অথচ শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুর কোন পদক্ষেপ নেই। গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য ৩০ কেজি চাল, ২০ কেজি আটা, ৫ কেজি চিনি, ৫ লিটার তেল রেশনিং চালু করলে বছরে ১০ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।"

 

তিনি আরও বলেন, "সরকার শ্রমিকদের নাগরিক হিসেবে গণ্য করে না এবং ক্ষমতার রাজনীতির জন্য তাদের শুধুমাত্র ভোটার হিসেবে ব্যবহার করে। এই বাজেট ৬ কোটি শ্রমিকের অভাব-অনটন আরও বাড়াবে এবং তাদেরকে আরও দরিদ্র করে তুলবে।" সংগঠনটি এই বাজেটকে শ্রমিকদের প্রতি অবিচার হিসেবে প্রত্যাখ্যান করছে এবং সকল শ্রমিক সংগঠনকে গণতান্ত্রিক-রাজনৈতিক শক্তির প্রতি ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।

এছাড়াও আগামী ২৫ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত দেশের প্রতিটি শিল্প অঞ্চলে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, গ্রীন বাংলা গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি সুলতানা আক্তার, বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার শ্রমিক টিইউসি'র আইন বিষয়ক সম্পাদক কে.এম. মিন্টু, বাংলাদেশ টেক্সটাইল গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এফ. এম. আবু সাঈদ, টেক্সটাইল ও গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আবুল হোসেন প্রমুখ।

 

ঢাকানিউজ২৪.কম / জেডএস/সানি

আরো পড়ুন

banner image
banner image