• ঢাকা
  • সোমবার, ৩ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ১৭ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

গেমিং ল্যাপটপ কেনার জন্য শিশু অপহরণ ও হত্যা, ২ জন গ্রেফতার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:২৬ পিএম
সিয়ামের বাড়ীর নির্জন রুমে নিয়ে যায়
শিশু ইয়ামিনকে হত্যাকারী দুইজন গ্রেফতার

নরসিংদী প্রতিনিধি : টিভিতে সিআইডি ও ক্রাইম পেট্রোল সিরিয়াল দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে গেমিং ল্যাপটপ কেনার টাকার জন্য সিয়াম ও রাসেল দুই বন্ধু মিলে মালয়েশিয়া প্রবাশী জামাল উদ্দিনের ৮ বছরের শিশু ইয়ামিনকে অপহরণ করার পরিকল্পনা করে।

তাদের উদ্দেশ্য ছিলো গেমিং ল্যাপটপ কিনে ইউটিউবে গেম লোড করে টাকা উপার্জন। সেই খেলে পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৮ নভেম্বর ইউপি: নির্বাচনের দিন উত্তর-বাখরনগর মধ্যপাড়া শিশু ইয়ামিনকে সিয়ামের বাড়ীর নির্জন রুমে নিয়ে যায়।

সিয়ামের বাড়ীতে ইয়ামিনকে অপহরণ করার পর মুখ, হাত, পা বেধে বস্তায় ভরে রেখে ইয়ামিনের মায়ের কাছে স্ক্রিপ্টেডবায়া এ্যাপস ব্যবহার করে ভিপিএন এর মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে। জানা যায় যে, তারা সিআইডি ক্রাইম পেট্রোল দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে মোবাইলে স্ক্রিপ্টেডবায়া এ্যপস ব্যবহার করে ভিপিএন এর মাধ্যমে ফোন করে মুক্তিপনের টাকা চায়। পরবর্তীতে মুক্তিপনের টাকা না পেয়ে অপহরণের দিন সন্ধ্যা বেলায় হাত-পা বাধা অবস্থায় বালিশ চাপা দিয়ে সিয়াম এবং রাসেল ইয়ামিনকে হত্যা করে। হত্যার পর ইয়ামিনের লাশ হাত-পা বেধে বালিশ চাপা দিয়ে গোয়াল ঘরের কারের উপরে বস্তাবন্ধি করে রাখে এবং ঘটনার ৪ দিন পর বস্তাবন্ধি লাশ রাতের অন্ধকারে ডোবার মধ্যে ফেলে আসে।

এদিকে ঘটনার ৩দিন পর বাদী সামসুন্নাহার বেগম রায়পুরা থানায় এজাহার দায়ের করে। এরপর রায়পুরা থানাধীন উত্তর বাখরনগর এলাকায় ইয়ামিন (৮) এর মৃতদেহ পাওয়া যায়। অতঃপর জনাব কাজী আশরাফুল আজীম পিপিএম, পুলিশ সুপার, নরসিংদী'র নির্দেশে আবুল বাসার পিপিএম, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), নরসিংদীর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), নরসিংদীর এসআই মোহাম্মদ তানভীর মোর্শেদ, এসআই কবির উদ্দিন, এসআই মোঃ সফিউদ্দিন ও রায়পুরা থানা পুলিশের এসআই জহিরুল হক সাড়াশি অভিযানে নামে।

৪ ডিসেম্বর রাত ৪ ঘটিকায় রায়পুরা থানাধীন উত্তর বাখরনগর এলাকা হতে আসামী সিয়াম উদ্দিনকে এবং রায়পুরা থানাধীন পিরিজকান্দি এলাকা হতে আসামী রাসেল মিয়াকে আটক করে হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত স্কচটেপ ও বালিশ এবং অপহরণ ঘটনায় ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম আলামত হিসেবে উদ্ধার করে ও এই মামলায় গ্রেফতার করেন।

পুলিশ মুখপত্র জানান, অপহরণকারী আসামীদের স্বভাব চরিত্র ভালো নয়। আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ইয়মিনকে অপহরন ও হত্যার ঘঠনা স্বীকার করে। পরবর্তীতে উক্ত ঘটনায় আরো ২জন  ১। মোঃ সুজন মিয়া (২৪), পিতা মৃত- আসাদ মিয়া, ২। কাঞ্চনদদদ মিয়া (৫৪), পিতা মৃত- রাজা মিয়া, উভয় সাং- উত্তর-বখরনগর, থানা- রায়পুরা, জেলা-নরসিংদীদ্বয়কে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

অপরাধ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image