• ঢাকা
  • শনিবার, ১৫ মাঘ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৮ জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ইজতেমা ময়দানে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০৬ জানুয়ারী, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১০:৪১ পিএম
গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৬০ একর জায়গায়
সামিয়ানা টানানোর কাজ প্রায় শেষ

নিউজ ডেস্ক:  গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগতীরে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ব ইজতেমা উপলক্ষে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। ইতিমধ্যে ইজতেমা ময়দানে প্রায় ৮০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। শীতের ঠাণ্ডা বাতাস উপেক্ষা করে স্বেচ্ছায় কাজ করছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মুসল্লিরা। এবারের বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হবে আগামী ১৩ জানুয়ারি, ১৫ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাত,  ২০ জানুয়ারি শুরু হবে দ্বিতীয় পর্ব এবং ২২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের বিশ্ব ইজতেমা।

গাজীপুরের টঙ্গীতে ১৬০ একর জায়গায় বিশাল সামিয়ানা টানানোর কাজ প্রায় শেষ। তুরাগ নদে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তৈরি করছেন পন্টুন, যা দিয়ে সাময়িকভাবে মুসল্লিরা এপার থেকে ওপারে যাতায়াত করতে পারবেন। বিশাল ময়দানে খিত্তাভিত্তিক চলছে মাইক বাঁধা এবং বৈদ্যুতিক তার ও বাতি টানানোর কাজ। এছাড়া গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ১২টি নলকূপে ১২ কিলোমিটার পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হবে। প্রায় সাড়ে ৮ হাজার অস্থায়ী টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। ময়দানের চাহিদা মোতাবেক ব্লিচিং পাউডার সরবরাহ এবং ২৫টি ফগার মেশিনে মশক নিধনেরও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দুই পর্বের বিশ্ব ইজতেমা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে বেলা ৩টার দিকে ইজতেমা ময়দানে চূড়ান্ত প্রস্তুতিমূলক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এমপি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া ইজতেমার আয়োজক কমিটির তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বিগণ, সরকারের বিভিন্ন দপ্তর ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত থাকবেন।

জিএমপি কমিশনার মোল্লা নজরুল ইসলাম বলেন, ইজতেমার সার্বিক নিরাপত্তায় সাড়ে ৭ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে। সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াচ টাওয়ার ও রুফটপ থেকে পুরো ইজতেমা ময়দানের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া স্পেশালাইজড টিমসহ প্রতিটি খিত্তায় সাদা পোশাকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করবেন। অগ্নি নির্বাপণের জন্য প্রতি খিত্তায় এবার দুটি করে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র রাখা হবে। তুরাগে নৌ টহলও থাকবে। দুই পর্বের ইজতেমার আয়োজকদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও ইজতেমা আয়োজনে কোনো বিশৃঙ্খলা হবে না।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক আনিসুর রহমান বলেন, ‘দুই পর্বের ইজতেমা সফল করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। এজন্য বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয়ে একাধিক প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image