• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২০ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ঝিনাইগাতীতে অটোরিকশা চালকের গলিত লাশ উদ্ধার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:৩৭ পিএম
ঝিনাইগাতীতে অটোরিকশা চালকের গলিত লাশ উদ্ধার
লাশ উদ্ধার

শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড় থেকে মো. হোসেন আলী (৩৫) নামে এক অটোরিকশা চালকের গলিত লাশ উদ্ধার করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নওকুচি গ্রাম থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন র‌্যাব সদস্যরা। তিনি শ্রীবরদী পৌরসভার শেখদী এলাকার মৃত আশরাফ আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে র‌্যাব দুইজনকে আটক করেছে। তারা হলেন ঝিনাইগাতী উপজেলার নওকুচি গ্রামের মৃত মফিজউদ্দিনের ছেলে সুমেল রানা (৩২) ও শ্রীবরদী উপজেলার ভেলুয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. সুজন (৩২)। ওই দুই যুবক গত ২৬ নভেম্বর অটোচালক হোসেন আলীর অটোরিকশাটি ছিনতাইয়ের পর তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করেন।  

র‌্যাব-১৪, জামালপুর ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হোসেন আলী গত ২৬ নভেম্বর সকালে তার অটোরিকশাটি নিয়ে শ্রীবরদী উপজেলার শেখদী এলাকার বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। এ বিষয়ে হোসেন আলীর বড় ভাই মো. আবুল কাশেম গত ২৯ নভেম্বর শ্রীবরদী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তার বড় ভাই আবুল কাশেম গত ১০ ডিসেম্বর র‌্যাবের জামালপুর কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে র‌্যাব সদস্যরা গোয়েন্দা তদন্তের মাধ্যমে গত সোমবার সুমেল রানা ও মো. সুজনকে আটক করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্য মতে, আজ মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে র‌্যাব সদস্যরা ঝিনাইগাতী উপজেলার নওকুচি গ্রামে মাটি খুড়ে হোসেন আলীর লাশ উদ্ধার করেন।

এ সময় র‌্যাব-১৪, জামালপুরের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মৃনাল কান্তি সাহাসহ র‌্যাব কর্মকর্তারা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জয়নাল আবেদীন, বিজিবি, নকশী সীমান্ত ফাঁড়ি ও ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

র‌্যাব-১৪, জামালপুরের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান বলেন, র‌্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক সুমেল রানা ও সুজন হোসেন আলীকে হত্যার কথা ও অটোরিকশা থেকে ব্যাটারিটি খুলে নিয়ে তা ঝিনাইগাতী বাজারে বিক্রি করে দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।

ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। উদ্ধার হওয়া লাশটি গলিত ছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জয়নাল আবেদীনের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল তৈরি পূর্বক ময়নাতদন্তের জন্য লাশ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক সুমেল ও সুজন অটোচালক হোসেন আলীকে হত্যা করে তার লাশ গারো পাহাড়ে মাটিচাপা দিয়ে রেখেছিলেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / জাহিদুল হক মনির/কেএন

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image