• ঢাকা
  • শনিবার, ৮ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

খাদ্যগুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহ নেই কৃষকের


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৪:০৬ পিএম
খাদ্যগুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহ নেই কৃষকের
খাদ্যগুদাম

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলায় আমন মৌসুমে খোলা বাজারে ধানের দাম বেশি হওয়ায় সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রিতে আগ্রহ নেই অনেক কৃষকের।

যথা সময়ে কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করতে না পারলে উপজেলায় সরকারি ভাবে ধান সংগ্রহের নিধার্রিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাহত হবে। সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রিতে কৃষকের আগ্রহ না থাকায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় আছেন গুদাম কর্মকতার্রা।

যদিও গুদাম কর্তৃপক্ষ, নিবার্চিত কৃষকদের কাছ থেকে ধান কিনতে লিফলেট বিতরন, মাইকিং ও মুঠোফোনে ক্ষুদেবাতার্ পাঠিয়েও কৃষকদের উৎসাহী করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবুও যেন সাড়া পাচ্ছেননা কৃষকদের।

কোন ভোগান্তি ও অভিযোগ ছাড়াই সরাসরি কৃষকদের থেকে ধান কিনতে “কৃষকের অ্যাপে” লটারীর মাধ্যমে উপজেলায় প্রথম পযার্য়ে ১৪৯ জন কৃষককে নিবার্চিত করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। লাটারীর মাধ্যমে নিবার্চিত কৃষকদের মধ্য থেকে ৩ টন ধান সংগ্রহের মধ্যদিয়ে গত (২৪ নভেম্বর) উপজেলায় ধান চাল সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এরপর থেকে আর ১ মণ ধানও সংগ্রহ করতে পারেননি বলে জানান খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ।
খাদ্যগুদাম সূত্রে জানাযায়, এবছর চলতি মৌসুমে ২৭ টাকা দরে ১৩শ’ ১৭ মেঃটন ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিধার্রন করা হয়।

উপজেলার কুসুম্বা গ্রামের শ্রী বকুল চন্দ্র ও ঢাকারপাড়া গ্রামের প্রান্তিক কৃষক তরিকুল ইসলাম বলেন, সরকারের বেঁধে দেওয়া ধানের দামের থেকে খোলা বাজারে ধানের দাম একটু বেশি পাওয়ায় মূলত কৃষকরা খাদ্যগুদামে ধান বিক্রি করতে আগ্রহী নন। তাছাড়া খাদ্যগুদামে ধান দিতে গেলে ধানের আদ্রতা ও পরিবহন ভাড়াসহ অন্যান্ন ঝামেলাও পোহাতে হয়।

উপজেলার উচাই বাজারের আড়তদার তাইবুর রহমান বলেন, আজকের বাজার অনুযায়ী গুটি স্বণার্ ধান ১ হাজার ৩০ টাকা ও স্বণার্-৫ জাতের ধান ১ হাজার ৯০ টাকা প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকতার্ কৃষিবিদ মো. লুৎফর রহমান বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় উপজেলায় ২০ হাজার ১৫ হেক্টর জমিতে ৯৫ হাজার ৩৬০ মেঃটন ধান চালের লক্ষ্যমাত্রা নিধার্রন করা হয়।

উপজেলা খাদ্যগুদাম কর্মকতার্ মিজানুর রহমান বলেন, কৃষকেরা যেন সরকারের কাছে ধান বিক্রিতে আগ্রহী হন। একারনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং, লিফলেট বিতরন ও নিবার্চিত কৃষকদের মুঠোফোনে ক্ষুদেবাতার্ পাঠিয়েও যোগাযোগ করা হচ্ছে। সরকারের কাছে ধান বিক্রিতে কৃষকদের উৎসাহী করছি। আমরা সবার্ত্তক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি যাতে, ধান ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়।

ঢাকানিউজ২৪.কম / আল-কারিয়া চৌধুরী/কেএন

কৃষি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image