• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৯ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

ইবির মেগাপ্রকল্পে অর্থ আত্মসাত, ৮ প্রকৌশলীকে দুদকে তলব


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১১:২২ এএম
ইবির মেগাপ্রকল্পে অর্থ আত্মসাত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি)

ইবি প্রতিনিধি : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নতুন প্রশাসন ভবনের চলতি বিলে সোয়া ৬ কোটি আত্মসাতের তদন্তে আট প্রকৌশলীকে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত কর্মকর্তা ও কুষ্টিয়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। 

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী একেএম শরীফ উদ্দিনসহ সকলকে আগামী ৩০ জুন ও ১ জুলাই সাক্ষাৎকার দিতে দুদক কুষ্টিয়া কার্যালয়ে ডাকা হয়। অন্য প্রকৌশলীরা হলেন- তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন ও আলিমুজ্জামান টুটুল, নির্বাহী প্রকৌশলী (সিভিল) বাদশা মামুনুর রশিদ ও নুর আলম, উপসহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) প্রসেনজিৎ কুমার বিশ্বাস, রাজিব হোসাইন ও সোহাগ ইসলাম সাগর। 

দুদকের চিঠিতে বলা হয়, মেগাপ্রকল্পে দ্বিতীয় প্রশাসন ভবন নির্মাণে সর্বশেষ চলতি বিলে ২৪৪ ও ৫নং আইটেমে ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন ও ভাগ-বাটোয়ারা করে আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এর অনুসন্ধানে উক্ত ৮ প্রকৌশলীর বক্তব্য গ্রহণ করা হবে।

এর আগে গত ১০ ও ১১জুন সাক্ষাতের জন্য চিঠি প্রেরণ করে দুদক। তবে গ্রীষ্মকালীন ও ঈদুল আযহার ছুটির আগে রেজিস্ট্রার দফতরে চিঠি না পৌঁছায় যথাসময়ে সাক্ষাৎকার সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রেজিস্ট্রার দফতরের পুনঃআলোচনা সাপেক্ষে সাক্ষাতের এ নতুন দিন নির্ধারণ করে দুদক। 

এবিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ এম আলী হাসান বলেন, প্রকৌশলীদের বক্তব্য শুনতে দুদক চিঠি দিয়েছিল। কিন্তু ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় চিঠি পড়ে ছিল। পরে দুদকের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে সাক্ষাতের নতুন সময় জানিয়েছি।

জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক সমিতি, শাপলা ফোরামসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ সংক্রান্ত একটি বেনামী চিঠি আসে। পরে দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয়েও উড়ো চিঠিটি দায়ের হয়। এতে প্রকল্প পরিচালক, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, শাখা ছাত্রলীগের সাবেক ও বর্তমানে পদে রয়েছেন এমন ৬ জন নেতাকর্মীকে আর্থিক সুবিধাভোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরে অভিযোগের তদন্তে উপাচার্য গত ১২ ডিসেম্বর তদন্ত কমিটি গঠন করে ১ মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেন। গত ৯ মার্চ তিন পৃষ্ঠার প্রতিবেদন জমা দিল অভিযুক্ত ঠিকাদারসহ সংশ্লিষ্টদের অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘এমপ্লয়ি ইফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডিসিপ্লিন রুলস’-এ ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান নির্দিষ্ট না থাকায় শাস্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সিন্ডিকেট। পরে শাস্তির ধারা নির্ণয় ও নির্দিষ্ট করতে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image