• ঢাকা
  • শনিবার, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৩ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

মতিউরের আপন ভুবনের তথ্য চেয়ে গাজীপুর ডিসিকে দুদকের চিঠি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৯ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০২:৩৩ পিএম
তথ্য চেয়ে গাজীপুর ডিসিকে দুদকের চিঠি
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমান

নিউজ ডেস্ক : গাজীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও এসিল্যান্ডকে ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের পিকনিক স্পট আপন ভুবনের তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (০৯ জুলাই) সংস্থাটির উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে তাদের কাছে পিকনিক স্পটের নামজারিসহ বিস্তারিত নথি চাওয়া হয়েছে।
  
ছাগলকাণ্ডের সমালোচনা ও আলোচনার মধ্যেই ব্যাংক থেকে সরিয়ে ফেলা মতিউরের ৮ কোটি টাকা খুঁজছে দুদক।

এর আগে অঢেল সম্পদের মালিক মতিউর ও তার পরিবারের নামে থাকা চারটি ফ্ল্যাট ও ৮৬৬ শতাংশ স্থাবর সম্পত্তি জব্দ করার আদেশ দেন আদালত। এছাড়া দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা দেন আদালত। এদিকে অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মেলায় তার পরিবারের সম্পদের হিসাব দাখিলের নোটিশও জারি করেছে দুদক।
 
দুদক সূত্রে জানায়, অবৈধ সম্পদ এবং ব্যাংক হিসাবের টাকার অনুসন্ধানে রাজস্ব কর্মকর্তা মতিউর রহমানের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা সরানোর তথ্য মিলেছে। ১১৫টি ব্যাংক হিসাব পর্যালোচনা করে দেয়া যায়, সেখানে মাত্র ৪ কোটি টাকা রয়েছে। আর ছাগলকাণ্ড নিয়ে হট্টগোলের মধ্যেই এসব হিসাব থেকে ৮ কেটি টাকা তুলে নেন মতিউর। অনুসন্ধান শুরুর পর গা ঢাকা দিয়েছেন মতিউর।
 
জানা যায়, মতিউরের বিরুদ্ধে এর আগে চারবার দুর্নীতির অভিযোগ পায় দুদক। কিন্তু প্রতিবারই নানা কৌশলে নানা প্রভাব খাটিয়ে দুর্নীতির অভিযোগে ক্লিন শিট পান তিনি।

দুদক আইনজীবী খুরশিদ আলম জানান, মতিউরের দেশের বাইরে যাওয়ার কোনো তথ্য নেই। ব্যাংক থেকে টাকা সরানোর বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির আইনজীবী বলেন, ‘টাকা যেখানেই সরানো হক খুঁজে বের করা অসম্ভব নয়।’
 
মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম দুদকে অভিযোগ আসে ২০০৪ সালে। সে সময় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাচারের। অভিযোগ আছে, হুন্ডির মাধ্যমে পাচার করা টাকা প্রবাসী কোনো এক আত্মীয়র মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে এনে তা রেমিট্যান্স বাবদ দেখিয়ে দিয়েছিলেন ট্যাক্স ফাইলে।
 
২০০৮ সালে আবারও দুদকে অভিযোগ জমা পড়ে তার বিরুদ্ধে। এবার অভিযোগ বিলাসবহুল পণ্যের শুল্ক মাফ করিয়ে দেয়ার মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন। কিন্তু তদন্ত শুরু হতে না হতেই প্রভাবশালীদের চাপে তা চাপা পড়ে যায়, ক্লিন শিট পান মতিউর। এরপর ২০১৩ ও ২০২১ সালে আরও দুবার দুদকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ ছিল অবৈধ সম্পদ ও সম্পত্তির। কিন্তু কৌশলী মতিউর অবৈধ সম্পদকে পারিবারিক ব্যবসা ও ঋণ দেখিয়ে প্রস্তুত করেন ট্যাক্স ফাইল। ফলে আবারও ক্লিন শিট।
 
পঞ্চমবারের মতো তদন্তে নেমে দুদক আগের চারবারের প্রতিটি বিষয়ে পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছে। একইসঙ্গে যে বা যাদের মাধ্যমে বারবার দায়মুক্তি পেয়েছে মতিউর, তা-ও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানায় দুদক।
 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image