• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১১ আগষ্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

পশ্চিমবঙ্গে থেকে ২১জন নারী ও শিশুর দেশে প্রত্যাবাসন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০৭ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০:০০ পিএম
৬জন পুরুষ রয়েছে যাদের বয়স ১৮ বছর
পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করছে

নিউজ ডেস্ক:    বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু বিকাশ এবং সমাজ কল্যান দপ্তরের অধীনে নারী ও শিশু পাচার রোধ বিষয়ক বিশেষ টাস্কফোর্সের যৌথ উদ্যোগে ভারতে পাচারের শিকার একুশজন বাংলাদেশী নারী ও শিশুকে ৭ জানুয়ারী'২২ তারিখে পেট্রাপোল বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বহু বাংলাদেশি নারী ও শিশু পাচার হয়ে কিংবা অবৈধভাবে বা ভুলক্রমে ভারতে এসে আটক হয়ে বিভিন্ন সেইফ হোমে অবস্থান করছেন। আটককৃত এ সব নারী ও শিশুদের বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডিরেক্টরেট অব চাইল্ড রাইটস এন্ড ট্রাফিকিং বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতাকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবহিত করে। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন কলকাতা আটককৃত বাংলাদেশী নারী ও শিশুদের তথ্য সংগ্রহ করে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়কে অবহিত করে।

বাংলাদেশী নাগরিকত্ব যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পাদনের পর বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা ট্রাভেল পারমিটের প্রমাণীকরণ, ডকুমেন্টেশন ইস্যু করার মতো একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করে। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা এবং পশ্চিমবঙ্গের নারী ও শিশু পাচার রোধকল্পে প্রতিষ্ঠিত বিশেষ
টাস্কফোর্সের যৌথ উদ্যোগে গৃহীত পদক্ষেপের কারণে বছরের পর বছর ভারতের বিভিন্ন সেইফ হোমে আটকে থাকা নারী ও শিশুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে ২৫ জানুয়ারি'২১ মোট ৩৮ জন, ২০ সেপ্টেম্বর'২১ মোট ৩৭ জন এবং ৭অক্টোবর'২১ মোট ২০ জন নারী ও শিশুকে ফেরত পাঠানোর পর বড় পরিসরে এটি চতুর্থ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং আটককৃত অবশিষ্ট বাংলাদেশী নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেয়ার এই প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন কলকাতার প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) ও দূতালয় প্রধান মিজ শামীমা ইয়াসমীন স্মৃতির প্রতিনিধিত্বে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন কলকাতার একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কন্সুলার ও কল্যান অনুবভিাগের মহাপরি চালাক মিজ সেহেলী সাবরিনের উপস্থিতিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নিকট ২১জন নারী ও শিশুকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনকৃত এই ২১জন নারী ও শিশুর মধ্যে ৯জন পূর্ণবয়স্ক নারী সহ আরো ৬জন নারী ও ৬জন পুরুষ রয়েছে যাদের বয়স ১৮ বছরের নীচে এবং যারা ভারতের বিভিন্ন সেইফ হোমে প্রায় দুই বছর থেকে ১৮বছর পর্যন্ত আটক ছিলেন।

পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের বিভিন্ন সংস্থা, বাংলাদেশের বিজিবি এবং বিএসএফ সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সময় বেনাপোল সীমান্তে উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image