• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

চীনকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০১:০৩ পিএম
চীনকে মোকাবিলায়
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়ার নিরাপত্তা চুক্তি

নিউজ ডেস্ক:    চীনকে মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষ কৌশলগত নিরাপত্তা চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। এর আওতায় দেশগুলো নিজেদের উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিনিময় করবে।.

বৃহস্পতিবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন দেশের অংশীদারিত্বের ফলে অস্ট্রেলিয়া প্রথমবারের মতো পরমাণু শক্তি চালিত সাবমেরিন তৈরিতে সক্ষম হতে যাচ্ছে। নিজেদের উন্নত প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি বিনিময় করবে।.

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান ক্ষমতা ও সামরিক উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন। তবে এসব দেশের মধ্যে চুক্তির ফলে অস্ট্রেলিয়া ফরাসি নকশার সাবমেরিন তৈরির যে চুক্তি করেছিলো তা থেকে সরে এলো।.

২০১৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীকে ৫০ বিলিয়ন ডলারে ১২টি সাবমেরিন সরবরাহের কাজটি পেয়েছিল ফ্রান্স। যদিও অনেক উপকরণ স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করতে হবে- ক্যানবেরার এমন শর্তের কারণে প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হচ্ছিল।.

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন নতুন নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।.

বিবৃতিতে বলা হয়, 'অকাসের আওতায় প্রথম উদ্যোগে হিসেবে আমরা পরমাণু চালিত সাবমেরিন সক্ষমতা অর্জনে সহায়তায় অঙ্গীকার করছি। এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে স্থিতিশীলতায় এবং আমাদের যৌথ স্বার্থের সহায়তায় মোতায়েন করা হবে।'.

বিবৃতিতে সাইবার সক্ষমতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সাগরতলে কার্যক্রমে সক্ষমতার কথাও বলা হয়েছে।.

বরিস জনসন বলেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া পরস্পরের সহযোগী এবং এই জোট আমাদের আরও ঘনিষ্ঠ করবে। এই অংশীদারিত্ব আমাদের পারস্পারিক স্বার্থ রক্ষায় এবং আমাদের জনগণকে সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।'.

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যের রানী এলিজাবেথ এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ারও এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।.

যৌথ বিবৃতিতে এশীয় প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে, যার মধ্যে আছে অমীমাংসিত সীমান্ত বিরোধ, সন্ত্রাসের হুমকি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মতো বিষয়গুলো।. .

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আর্ন্তজাতিক বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image