• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৮ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

২০৩৫ সালের মধ্যে হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ০৩ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১০:০৭ পিএম
২০৩৫ সালের মধ্যে হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার সম্ভব
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, হাইড্রোজেন ও অ্যামোনিয়া থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার সম্ভব হবে।

বুধবার (৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত সরকারি দলের সদস্য হাবিবুর রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, টেকসই জ্বালানি হিসাবে হাইড্রোজেন উৎপাদনের নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি নিয়ে চলমান গবেষণার ফলাফল এবং উন্নত বিশ্বে গৃহীত কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) অধীনে রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডে (আরপিজিসিএল) একটি সেল গঠন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পেট্রোবাংলার অধীন রূপান্তরিত গ্যাস কোম্পানী লি. (আরপিজিসিএল)-এ জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেন উৎপাদনে টেকসই ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতির ওপর উন্নত বিশ্বের চলমান অধিকতর গবেষণাসমূহের ফলাফল এবং গৃহীত কার্যক্রমের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহরে লক্ষ্যে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। ঐ সেল গ্রহণযোগ্য তথ্যাদি প্রাপ্তির পর একটি প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়ন করবে। আশা করা যায় ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে হাইড্রোজেন জ্বালানি ব্যবহার সম্ভব হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি এই বছরের শেষ নাগাদ বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে যাবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৯৭৭টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এতে উপকারভোগী মোট মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৩ লাখ ৩৯ হাজারেরও বেশি। এ পর্যন্ত ৫৮টি জেলা এবং ৪৬৪টি উপজেলা সম্পূর্ণভাবে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত হয়েছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা ও রাজশাহী এ ৫টি বিভাগ এখন সম্পূর্ণভাবে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত। অর্থ্যাৎ এসব জেলা, উপজেলা ও বিভাগে কোন ভূমিহীন গৃহহীন মানুষ নেই।

তিনি বলেন, ব্যারাক হাউজের মাধ্যমে আমরা ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৯ লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৮টি পরিবারকে পুনর্বাসন করেছি। ব্যারাক হাউজ ছাড়াও আমরা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৫৩টি পরিবারকে নিজ জমিতে বিনামূল্যে গৃহ নির্মাণ করে দিই। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮৫টি পরিবারের কাছে স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে ২ শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা একক ঘর হস্তান্তর করেছি। মুজিববর্ষে উপকারভোগী মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। ভূমিহীন-গৃহহীন-ছিন্নমূল মানুষকে জমির মালিকানাসহ ঘর করে দেওয়ার লক্ষ্যে সারাদেশে ৬ হাজার ৯৪৫ একর খাস জমি উদ্ধার করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য তিন হাজার ৭৭৩ কোটি টাকা।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image