• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২০ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

টি এইচ খানের মৃত্যুতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকাজ বন্ধ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২:৫৯ পিএম
টি এইচ খানের মৃত্যু
সাবেক বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি টি এইচ খান

ডেস্ক রিপোর্টার: সাবেক বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি টি এইচ খানের মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে উচ্চ আদালতের বিচারকাজ বন্ধ থাকবে।

সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চের বিচারিক কাজ শুরু হলে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নেতাদের পক্ষ থেকে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।

প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী জানান, প্রয়াত টিএইচ খানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজ আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে কোনো বিচারিক কাজ হবে না।  

বেলা ১১টার দিকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে টিএইচ খানের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার ঔটি গ্রামে দাফন করা হবে তাকে। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে রবিবার বিকেলে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন টিএইচ খান।

টিএইচ খান ১৯২০ সালের ২১শে অক্টোবর ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার ঔটি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ময়মনসিংহের ফুলপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে সর্বোচ্চ ডিগ্রি নেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান লাভ করেন তিনি। বেশ কিছুদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ কলেজে অধ্যাপনাও করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ এই আইনজীবী।

১৯৫১ সালের ১৪ই মার্চ তিনি হাইকোর্টের আইনজীবী হন। ১৯৬৮ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ তিনি হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর ১৯৭৩ সালের জুলাই মাস থেকে আবার আইন পেশায় ফিরে আসেন।

১৯৭৪ সালে তিনি প্রথমবারের মতো সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৯ সালে তিনি পার্লামেন্ট নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর আইন, শিক্ষা, ধর্ম, ভূমি ও রাজস্ব এবং ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ এরশাদের নেতৃত্বে নতুন সামরিক আইন জারি করা হলে তিনি আবার আইন পেশায় ফিরে যান। ১৯৮৬ সালে এরশাদের নির্বাচনের বিরোধিতা করায় গ্রেপ্তার হন।

১৯৯২ সালে টিএইচ খান সুইজারল্যান্ডের জেনেভাস্থ জাতিসঙ্ঘের মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস কমিশনের মেম্বার এবং একই বছর জাতিসংঘের বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৪ সালে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৫ সালে টিএইচ খান সাউথ এশিয়া জোন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি নির্বাচিত হন। ১৯৯৯ সালের ১৯শে জুন পর্যন্ত জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে বিচারকার্য পরিচালনা করে দেশে ফিরে এসে আবার আইন পেশা শুরু করেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

শোক সংবাদ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image