• ঢাকা
  • সোমবার, ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৮ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

সক্ষমতা আছে বলেই ঋণ দিয়েছে আইএমএফ, ফখরুলকে কাদের


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১১:০২ এএম
সক্ষমতা আছে বলেই ঋণ দিয়েছে আইএমএফ
ফখরুলকে কাদের

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য আছে বলেই আইএমএফ ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে বলেছেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। যার মধ্য দিয়ে আরও একবার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। অথচ বিএনপির সময় অর্থনৈতিক সক্ষমতা বলতে কিছুই ছিল না।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আছে বলেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বাংলাদেশকে ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এই ঋণ জনগণের বোঝা না হয়ে বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বিএনপি দায়িত্বশীল আচরণ না করে সংকটকে ঘনীভূত করার ষড়যন্ত্র করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বিএনপির এসব ‘অতৎপরতা’ রুখে দিতে জনগণকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান কাদের।

এক বিবৃতিতে শুক্রবার এ সব কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক।

বিবৃতিতে আইএমএফ-এর ঋণ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্যকে ‘অবান্তর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য আছে বলেই আইএমএফ ঋণ প্রদানে সম্মত হয়েছে। যার মধ্য দিয়ে আরও একবার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা প্রমাণিত হয়েছে। অথচ বিএনপির সময় অর্থনৈতিক সক্ষমতা বলতে কিছুই ছিল না।

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরনির্ভরতার সেই সংকট থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণ ঘটেছে; আইএমএফ-এর এই ঋণ জনগণের জন্য বোঝা না হয়ে সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ ঋণ নিয়ে ‘অবান্তর মন্তব্য’ করেছেন জানিয়ে কাদের বলেন, ‘বিএনপির রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এমন তলানিতে ঠেকেছে যে, তারা এখন আইএমএফ-এর ঋণ নিয়েও রাজনীতি করছে। কিছু দিন আগে আইএমএফ যাতে ঋণ প্রদান না করে সেজন্য তারা ষড়যন্ত্র করেছে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে মিথ্যা ও মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করেছে। আবার আইএমএফ যখন ঋণ দিচ্ছে তখন তারা বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছে।’

কেন বিএনপি নেতারা এমন কথা বলছেন, তার সপক্ষে নিজের যুক্তিও তুলে ধরেন কাদের। তিনি বলেন, প্রকৃতপক্ষে তাদের গাত্রদাহের কারণ হলো আইএমএফ বাংলাদেশকে কেন ঋণ দিচ্ছে। মির্জা ফখরুল কী ভুলে গেছেন, বিএনপির সময় জাতীয় অর্থনীতি পরিচালিতই হতো বৈদেশিক সহায়তা ও ঋণের উপর ভিত্তি করে।

২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি গড়ে জাতীয় আয়ের ২৮ শতাংশ ঋণ নিয়ে দেশ পরিচালনা করেছে বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।

তিনি বলেন, ‘তাদের সময় রিজার্ভ ছিল সাড়ে ৩ বিলিয়নেরও কম। তাদের সর্বশেষ বাজেট ছিল মাত্র ৬৯ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ধারাবাহিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির কারণে বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও বৈদেশিক ঋণের নির্ভরতা বহুলাংশে কমেছে বলেও জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে দেশের রিজার্ভ ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৮.২ শতাংশ ছুঁয়েছে বলেও জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি নেতারা আজ নির্লজ্জের মতো আইএমএফ-এর ঋণ নিয়ে কথা বলেন, রিজার্ভ নিয়ে কথা বলেন। প্রকৃতপক্ষে, বিএনপি নেতারা এই সংকটকে পুঁজি করে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। সংকটে আতঙ্কগ্রস্ত না হয়ে সচেতন ও উদ্যোগী হলেই তা মোকাবিলা সহজতর হয়।’

চলমান বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে বলে জানান সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

রাজনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image