• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২০ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেনারেল হাসপাতালে তিন নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১২:২৯ পিএম
তিন নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার
তিন নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার দিচ্ছেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি: ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে গত নভেম্বর মাসে ১০৫ জন অন্তঃসত্ত্বার সাধারণ প্রসব করায় তিন সিনিয়র স্টাফ নার্সকে শুভেচ্ছা উপহার দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কক্ষে তাদের অভিবাদন ও শুভেচ্ছা জানান তত্ত্বাবধায়ক মো. ওয়াহীদুজ্জামান।

এ সময় হাসাপাতালের আবাসিক চিকিৎসক রানা নুরুস শামস, চিকিৎসক মারুফ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান, তৌহিদ আহমেদ, ফৌজিয়া আক্তার, আইরিন হক, শারমিন হক দীপ্তি, শারমিন হক স্বর্ণা, ভারপ্রাপ্ত উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক গীতা রানী সাহা এবং নার্সিং সুপারভাইজার নারগিস আক্তার ও মমতাজ বেগম উপস্থিত ছিলেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত নভেম্বর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ১০৫ অন্তঃসত্ত্বা নারী সাধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করেন। আর ৯২ জন অন্তঃসত্ত্বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেন।

গাইনি ও স্ত্রী রোগের জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (সিনিয়র কনসালটেন্ট) ফৌজিয়া আক্তারের নেতৃত্বে ছয়জন নারী চিকিৎসকের একটি দলের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে কর্মরত সিনিয়র স্টাফ নার্সের মধ্যে যারা অভিজ্ঞ তারা সাধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের কাজটি করে থাকেন।

গত নভেম্বর মাসে সাধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায় ৩৮ জন, মর্জিনা বেগম ৩৫ জন ও আয়েশা বেগম ২৮ অন্তঃসত্ত্বা নারীর প্রসব করিয়েছেন।

তারা তিনজনসহ হাসপাতালের অন্যান্য অভিজ্ঞ সিনিয়র স্টাফ নার্সরাও সাধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে নভেম্বর মাসে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে প্রথম হন-স্মৃতি রানী রায়, দ্বিতীয় মর্জিনা বেগম ও তৃতীয় হন আয়েশা বেগম।

গত অক্টোবর মাসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ১০৮ জন অন্তঃসত্ত্বা সাধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করেন। আর ৮৭ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করেন।

শুভেচ্ছা উপহার পাওয়া সিনিয়র স্টাফ নার্স স্মৃতি রানী রায় বলেন, যে কোনো কাজের স্বীকৃতি পেলে কাজের উৎসাহ বাড়ে। গত অক্টোবর মাসেও ৩০ জনকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসব করিয়ে আমি প্রথম হয়েছি। শুভেচ্ছা উপহার দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

গাইনি ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফৌজিয়া আক্তার বলেন, সাধারণ প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবে সেবিকাদের উদ্বুদ্ধ করতেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের শুভেচ্ছা উপহার দেয়। হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের সংখ্যা আরো বেশি বাড়ানো সম্ভব।

আমরা ছয় চিকিৎসকের একটি দল সমপরিমাণে এই কাজ করে যাচ্ছি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা রয়েছে। মানুষকে আরো সচেতন হতে হবে। কিন্তু দালালের দৌরাত্ম্যের জন্য অন্তঃসত্ত্বা রোগীর পরিবারের লোকজন ফাঁদে পড়েন। সচেতন হলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় সন্তান প্রসবের সংখ্যা আরো বাড়বে।

 

ঢাকানিউজ২৪.কম / মনিরুজ্জামান মনির/কেএন

স্বাস্থ্য বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image