• ঢাকা
  • সোমবার, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৬ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

মশকনিধনে সিসিকের সঠিক পরিকল্পনা নেই


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:৪৫ পিএম
মশকনিধনে সিলেট সিটি করপোরেশন
সিলেট সিটি করপোরেশন

ডেস্ক রিপোর্টার: সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) মশকনিধনে পুরোপুরি ব্যর্থ । এ ক্ষেত্রে নেই কোনো সঠিক পরিকল্পনা। এডিস মশার প্রজনন মৌসুম এপ্রিল মাসে এসেও দায়সারা ভাব সিসিক কর্তৃপক্ষের। খেয়ালখুশিমতো মশকনিধন অভিযান অব্যাহত রাখা হলেও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেই উদ্যোগ।

সিসিক সূত্রে জানা যায়, সিসিকের মূল বাজেটেও মশকনিধনে নেই উল্লেখযোগ্য কোনো বরাদ্দ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য খাত থেকে টেনেটুনে বাজেট নিয়েই চলে মশকনিধন কার্যক্রম। আর নগরবাসীর অভিযোগ, দিন-রাত সবসময়ই মশার যন্ত্রণা। বিশেষ করে তারাবি নামাজ, সেহরি ও ইফতারের সময় পড়তে হয় ভোগান্তিতে। এমন অবস্থায় নামমাত্র ওষুধ ছিটানোতেই সীমাবদ্ধ কর্তৃপক্ষ।
 
নগরীর নয়াসড়ক এলাকার বাসিন্দা কাউসার মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার ছোট বাচ্চাটিকে চাইলেও সারাক্ষণ মশারির ভেতর রাখা যায় না। বাচ্চাটার শরীরজুড়ে মশার কামড়ের চিহ্ন দেখা যায়।’
 
অপরদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এপ্রিল মাস থেকে এডিস মশার প্রজনন মৌসুম শুরু হওয়ায় শুধু মশকনিধনই যথেষ্ট নয়। সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা অভিযান না হলে দেখা দিতে পারে বিপদ।
 
সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এ. এফ. এম নাজমুল বলেন, স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশা বংশবিস্তার করে। আর ময়লা পানি কিংবা আবর্জনায় স্বাভাবিক মশা জন্মায়। তাই পরিচ্ছন্নতার বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সচেতনতারও দরকার আছে বলে মন্তব্য তার। এ বিশেষজ্ঞ যখন পরিচ্ছন্নতায় এমন তাগিদ দিলেন, তখন সিলেট নগর ভবনের মূল ফটকের সামনে নির্মাণাধীন একটি খোলা ড্রেনে দেখা গেল মশার নিরাপদ আবাস। এ ছাড়াও নগরজুড়ে প্রায় সব ছড়া-খালে ময়লা-আবর্জনায়ও মশা নিরাপদে বংশবিস্তার করতে দেখা গেলেও কর্তৃপক্ষ শুধু মূল সড়ক কিংবা পরিষ্কার জায়গায় সামান্য ওষুধ ছিটিয়েই দায় সারতে দেখা যায়।
 
তবে পরিকল্পনা, কর্মীসংকট আর সীমাবদ্ধতার কারণে চাইলেও মশকনিধন অভিযান নিয়মিত চালানো যায় না বলে জানিয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম।
 
তিনি বলেন, ‘আমরা বছরে মাত্র চারবার মশকনিধন অভিযান চালাই। এটা খুবই সামান্য। নিয়মানুযায়ী বছরে ৩৬৫ দিনই এটি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। কিন্তু মশকনিধন কাজে স্থায়ী কর্মী না থাকায় এটি সম্ভব হচ্ছে না।’ তা ছাড়া পরিকল্পনারও অভাব আছে বলে স্বীকার করেন তিনি।
 
মশকনিধনে সিসিকের পক্ষ থেকে কোনো বাজেট আছে কি না–জানতে চাইলে ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, সিসিকের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে কোনো বাজেট না থাকলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে কিছু বাজেট পাওয়া যায়।
 
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জন্য মশকনিধনে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ টাকা বাজেট নির্ধারণ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

স্বাস্থ্য বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image