• ঢাকা
  • বুধবার, ৮ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ২৪ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ২৬.৫ বিলিয়ন ডলার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ১২:৪৩ এএম
দেশের, বৈদেশিক, মুদ্রার, রিজার্ভ, এখন ২৬.৫ বিলিয়ন, ডলার

নিউজ ডেস্ক : ২৭ জুন পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক সময় সংবাদকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আইএমএফের দেয়া ঋণের তৃতীয় কিস্তির অর্থ বৃহস্পতিবার রিজার্ভে যোগ হয়েছে, ফলে মোট রিজার্ভ ২৬.৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত সোমবার (২৪ জুন) রিজার্ভ ছিল ২৪.৬৪ বিলিয়ন ডলার।

মেজবাউল হক জানান, রিজার্ভে আইএমএফ থেকে ১.১৫ বিলিয়ন বা ১১৫ কোটি ডলার ছাড়াও কোরিয়া, আইবিআরডি ও আইডিবি থেকে আরও ৯০০ মিলিয়ন বা ৯০ কোটি ডলার যোগ হয়েছে।

গত সোমবার বাংলাদেশের জন্য ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির আওতায় তৃতীয় কিস্তি ছাড়ের অনুমোদন দেয় আইএমএফ। ঋণের কিস্তির অর্থ ছাড়ের শর্ত বাস্তবায়ন ও অর্থনৈতিক সংস্কারের অগ্রগতি দেখতে ২৪ এপ্রিল ঢাকায় আসে আইএমএফের একটি মিশন, যা ৮ মে পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থান করে এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করে।

মিশনটি শর্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সংস্কার কার্যক্রম সম্পর্কে জেনে সন্তোষ প্রকাশ করে ঢাকা ত্যাগ করে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতে থাকায় গত বছরের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি করে বাংলাদেশ। তিনদিন পর প্রথম কিস্তিতে ৪৭ কোটি ৬২ লাখ ৭০ হাজার ডলার ছাড় করে সংস্থাটি। এরপর গত ১৬ ডিসেম্বর আসে দ্বিতীয় কিস্তির ৬৮ কোটি ২০ লাখ ডলার।

২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট সাতটি কিস্তিতে ঋণের পুরো অর্থ ছাড় করার কথা রয়েছে। দ্বিতীয় কিস্তির পরবর্তীগুলোতে সমান অর্থ থাকার কথা থাকলেও রিজার্ভ কমে যাওয়ায় তৃতীয় ও চতুর্থ কিস্তিতে বেশি অর্থ চায় বাংলাদেশ। কঠিন শর্তের বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যতে আরও বড় সংস্কার কার্যক্রমের প্রতিশ্রুতি দেয়ায় তৃতীয় কিস্তিতে ৬৮ কোটি ডলারের পরিবর্তে ১১৫ কোটি ডলার অনুমোদন করেছে আইএমএফ।

আইএমএফের দেয়া ঋণের একটি অংশ জলবায়ু তহবিলের, যা বাংলাদেশকেই প্রথম দেয়া হয়েছে। এ কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে চায় আইএমএফ। এজন্য চতুর্থ কিস্তির জন্য জুন শেষে নিট রিজার্ভের লক্ষ্যমাত্রা ৫ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার কমিয়ে ১৪ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image