• ঢাকা
  • বুধবার, ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৯ জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

টিকার আওতায় এসেছে দেশের ৭০ ভাগ মানুষ


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ২২ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০২:০৯ পিএম
টিকার আওতায় এসেছে দেশের ৭০ ভাগ মানুষ
করোনা টিকা

ডেস্ক রিপোর্টার:  করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে এপর্যন্ত দেশে টিকার দুই ডোজ দেওয়া হয়েছে ১১ কোটি ৭১ লাখ ৬৬ হাজার ১০ জনকে এবং এক ডোজ পেয়েছেন ১২ কোটি ৮৭ লাখ ৮ হাজার ১৩২ জন। এগুলো দেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা, সিনোভ্যাক, ফাইজার, জনসন অ্যান্ড জনসন, মডার্না এবং চীনের তৈরি সিনোফার্মের টিকা।

প্রতিটি টিকাই দুই ডোজ গ্রহণ করতে হয়; অর্থাৎ জনসংখ্যার বিপরীতে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে। পাশাপাশি বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৪১ লাখ ৬৮ হাজার ৯৫২ জনকে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘রিপোর্ট অন বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২০’-এর হালনাগাদ তথ্যানুযায়ী, দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯১ লাখ। সুতরাং মোট জনসংখ্যার ৬৯ দশমিক ২৮ শতাংশ মানুষ টিকার দুই ডোজ পূর্ণ করেছেন। আর মোট জনসংখ্যার ৭৬ দশমিক ১১ শতাংশ প্রথম ডোজের আওতায় এসেছেন। দেশের ৮০ শতাংশ জনসংখ্যাকে টিকার আওতায় আনতে চায় সরকার। সেই হিসাবে ১৩ কোটি ৫২ লাখ ৮ হাজার মানুষকে টিকা দিতে হবে।

দেশে এখন পর্যন্ত ছয় ধরনের টিকার দুই ডোজ মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে ২৪ কোটি ৫৮ লাখ ৭৪ হাজার ১৪২ ডোজ। আর টিকা এসেছে প্রায় ২৬ কোটি। টিকাগ্রহীতাদের মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার দুই ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৮৭ লাখ ১৮ হাজার ১১৯ জন।

সিনোফার্ম দুই ডোজ দেওয়া হয়েছে ৫ কোটি ৩০ লাখ ৫৪ হাজার ১১ জনকে। ফাইজার দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ৪ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৮ জনকে, সিনোভ্যাক দুই ডোজ দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ১২ লাখ ৯৩ হাজার ৯৫১ জনকে, জনসন অ্যান্ড জনসন দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৮৬৭ জনকে এবং মডার্না দুই ডোজ দেওয়া হয়েছে ৩৪ লাখ ৪৫ হাজার ৭২৫ জনকে।

এর মধ্যে জনসন অ্যান্ড জনসনের এক ডোজের টিকা দেওয়া হয়েছে শুধু ভাসমান জনগোষ্ঠীকে। তা ছাড়া ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার দুই ডোজ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৫৯ লাখ ১২ হাজার ২৫২ জনকে।

টিকার দুই ডোজ গ্রহীতাদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ বুস্টার ডোজের আওতায় আসেনি। তাই জুনে বুস্টার ডোজের ক্যাম্পেইন করার পরিকল্পনা করছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, জুনের প্রথম দিকে ৬-৭ দিনের একটি ক্যাম্পেইন করা হবে বুস্টার ডোজ দেওয়ার জন্য।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা অনেকেই এখন মাস্ক পরি না। মনের মধ্যে সাহস আসছে, জোর আসছে। গত এক মাসে একজনও করোনায় মারা যায়নি। এটা একটা বিরল অর্জন। পৃথিবীর খুব কম দেশেই আছে এমন। সে কারণেই বাংলাদেশের জিডিপি আজ ছয় শতাংশ। পৃথিবীর কোনো দেশেরই তা নেই।’

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

স্বাস্থ্য বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image