• ঢাকা
  • সোমবার, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২৩ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

করোনা সংক্রমণে ১২ জেলাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৩১ পিএম
করোনা সংক্রমণে ১২ জেলা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

ডেস্ক রিপোর্টার: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দিন দিন বেড়েই চলছে। এ অবস্থায় ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের ১২ জেলাকে করোনা সংক্রমণের অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। বুধবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক ড্যাশবোর্ড সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।

ড্যাশবোর্ডে পাঁচটি রঙে দেশের ৬৪ জেলাকে নিয়ে আসা হয়েছে। সেগুলোকে অধিকতর গাঢ় লাল (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩০% - ৩৯%), গাঢ় লাল (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০% - ২৯%), লাল (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০% - ১৯%), কমলা (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫% - <১০%) ও সবুজ (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার < ৫%) রঙে চিহ্নিত করা হয়েছে।
 
উচ্চঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলো হলো- ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া, বগুড়া, দিনাজপুর, রাঙামাটি, লালমনিরহাট, খাগড়াছড়ি ও পঞ্চগড়।
 
মধ্যম ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলো হলো- সিলেট, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদাহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, শেরপুর, ঝালকাঠি ও ঠাকুরগাঁও।
 
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, সারাবিশ্বের মতো বাংলাদেশেও করোনাভাইরাস সংক্রমণ দ্রুতগতিতে বাড়ছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে ২২২ শতাংশ।
 
করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেশে গত নভেম্বরের শুরু থেকে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সংক্রমণ কিছুটা স্থিতিশীল ছিল। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এটি ক্রমাগতভাবে বাড়তে শুরু করে। এরপর ২০২২ সালের জানুয়ারিতে এসে আগের বছরের চিত্রটা অনেকটাই পাল্টে গেছে।
 
নাজমুল ইসলাম বলেন, অনেকেই ধারণা করছেন করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের কারণেই দেশে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি কিন্তু বৈজ্ঞানিক তথ্য প্রমাণ দিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য নয়। ধরে নিতে হবে দেশে এখনও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট প্রাধান্য বিস্তার করে আছে। নতুন করে ওমিক্রনের সংক্রমণ সেখানে ঘটেছে এবং সারা বিশ্বে যেমন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে সরিয়ে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট জায়গা দখল করেছে, ধীরে ধীরে হয়তো বাংলাদেশেও এমনটি হবে।
 
গত ১২ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, করোনা সংক্রমণের রেড জোন (লাল তালিকা) হিসেবে ঢাকা ও রাঙামাটি, ইয়োলো জোন (হলুদ তালিকা) হিসেবে ৬টি জেলা ও গ্রিন জোন (সবুজ তালিকা) হিসেবে  ৫৪টি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া খুবই কম সংখ্যক টেস্ট করার তালিকায় দুটি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়।
 
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য মতে, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ১২.৯০ শতাংশ আর রাঙামাটিতে ১০ শতাংশ। এ ছাড়া হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে আছে দেশের সীমান্তবর্তী জেলা যশোর, রাজশাহী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, নাটোর ও রংপুর জেলা।
 
আর সংক্রমণের গ্রিন জোন বা ক্ষীণ ঝুঁকিতে আছে ৫৪ জেলা। অন্যদিকে পঞ্চগড় ও বান্দরবান জেলায় নমুনা পরীক্ষার হার খুবই কম হয়।
 
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা গেছে, পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হারের ভিত্তিতে জেলাপর্যায়ে ঝুঁকি বিশ্লেষণ অধিকতর গাঢ় লাল (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩০ - ৩৯%)। গাঢ় লাল (পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২০%- ২৯%), লাল তালিকাতে পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১০% - ১৯%। কমলা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫% -১০%), সবুজ তালিকায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫%। সাদা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার o%)। ধূসর (টেস্টের সংখ্যা ১০০ আর )।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

স্বাস্থ্য বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image