• ঢাকা
  • বুধবার, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৮ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

ন্যাটো ও ইউক্রেন রুশ সীমান্তে হুমকি তৈরি করেছিল: পুতিন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৯ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:৩২ পিএম
বিজয় অর্জনের দিন উদযাপন করছে রাশিয়া
মস্কোর রেড স্কয়ারে সামরিক কুচকাওয়াজ

নিউজ ডেস্ক:  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনের দিন উদযাপন করছে রাশিয়া। এ উপলক্ষ্যে মস্কোর রেড স্কয়ারে সামরিক কুচকাওয়াজে ভাষণ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে বড় ধরনের কোনও ঘোষণা ছাড়াই ভাষণ শেষ করেছেন বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর এই রাষ্ট্রনেতা।

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঘোষণা আসতে পারে, পশ্চিমাদের এমন শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে রেড স্কয়ারে ভাষণ শেষ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে পারমাণবিক অস্ত্রের বিশাল সম্ভারসহ সামরিক শক্তি প্রদর্শনে কার্পণ্য ছিল না। আর এতেই প্রচ্ছন্ন হুমকি টের পেয়েছে পশ্চিমারা।

ভাষণে আবারও কিয়েভে সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন পুতিন। বলেন, হুমকি মোকাবিলার পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব বজায় ও দোনবাসে রুশ ভাষীদের ওপর নির্যাতন বন্ধে সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও যথার্থ ছিল।

ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ন্যাটো ও ইউক্রেন রুশ সীমান্তে হুমকি তৈরি করেছিল। পশ্চিমারা রাশিয়ায় আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা করছিল। আমরা নিজেদের মানুষ ও মাতৃভূমির জন্য লড়ছি।

এসময় বিশ্বযুদ্ধের পাশাপাশি ইউক্রেন অভিযানে নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান পুতিন। মাতৃভূমির জন্য প্রাণ দেয়া সেনাদের পরিবারের পাশে থাকারও ঘোষণা দেন ।

এদিকে সোভিয়েত বিজয় উদযাপনে কোনও কর্মসূচি ছিল না ইউক্রেনের। এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, বিশ্বযুদ্ধের মত এই যুদ্ধেও জয় পাবে ইউক্রেন। এসময় নিজেদের একবিন্দু ভূমি ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দেন

 দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনের দিন উদযাপন করছে রাশিয়া। এ উপলক্ষ্যে মস্কোর রেড স্কয়ারে সামরিক কুচকাওয়াজে ভাষণ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

তবে বড় ধরনের কোনও ঘোষণা ছাড়াই ভাষণ শেষ করেছেন বিশ্বের অন্যতম ক্ষমতাধর এই রাষ্ট্রনেতা।

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঘোষণা আসতে পারে, পশ্চিমাদের এমন শঙ্কা উড়িয়ে দিয়ে রেড স্কয়ারে ভাষণ শেষ করেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে পারমাণবিক অস্ত্রের বিশাল সম্ভারসহ সামরিক শক্তি প্রদর্শনে কার্পণ্য ছিল না। আর এতেই প্রচ্ছন্ন হুমকি টের পেয়েছে পশ্চিমারা।

ভাষণে আবারও কিয়েভে সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন পুতিন। বলেন, হুমকি মোকাবিলার পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব বজায় ও দোনবাসে রুশ ভাষীদের ওপর নির্যাতন বন্ধে সামরিক অভিযানের সিদ্ধান্ত সময়োপযোগী ও যথার্থ ছিল।

ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, ন্যাটো ও ইউক্রেন রুশ সীমান্তে হুমকি তৈরি করেছিল। পশ্চিমারা রাশিয়ায় আক্রমণ চালানোর পরিকল্পনা করছিল। আমরা নিজেদের মানুষ ও মাতৃভূমির জন্য লড়ছি।

এসময় বিশ্বযুদ্ধের পাশাপাশি ইউক্রেন অভিযানে নিহত সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান পুতিন। মাতৃভূমির জন্য প্রাণ দেয়া সেনাদের পরিবারের পাশে থাকারও ঘোষণা দেন তিনি।

এদিকে সোভিয়েত বিজয় উদযাপনে কোনও কর্মসূচি ছিল না ইউক্রেনের। এক বার্তায় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, বিশ্বযুদ্ধের মত এই যুদ্ধেও জয় পাবে ইউক্রেন। এসময় নিজেদের একবিন্দু ভূমি ছাড় না দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আর্ন্তজাতিক বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image