• ঢাকা
  • বুধবার, ১৩ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২৬ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

মুজিববর্ষ সুবর্ণজয়ন্তী ও বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষে সেমিনার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৭:৩৪ পিএম
নজরুল, ক্ষুদিরাম, বঙ্গবন্ধু তাঁদের জীবনী
বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ বঙ্গবন্ধু ও নজরুল শীর্ষক সেমিনার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ :  জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেছেন, জাতিকে জাগ্রত করার জন্য নজরুল ইসলাম মাত্র ২২ বছর বয়সে ‘বিদ্রোহী’ কবিতা রচনা করেন, পঙতির দিকে ধাবিত হয়েছেন। পৃথিবীতে যারাই অমরত্ব অর্জন করেছেন তারা সকলেই তরুণ বয়স থেকেই নিজেদের কর্মের মধ্যদিয়ে ইতিহাস রচনা করেছেন।

নজরুল, ক্ষুদিরাম, বঙ্গবন্ধু তাঁদের জীবনীতে এই চিত্রই আমরা দেখতে পাই। তাই নিজের প্রতি কখনো আত্ববিশ্বাস হারালে চলবে না বরং সমাজ পরিবর্তনে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স হলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চলমান মুজিববর্ষ ও বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ বঙ্গবন্ধু ও নজরুল শীর্ষক সেমিনারটি আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউ অব নজরুল স্টাডিজ।

‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রসঙ্গে মূল্যায়ন করতে গিয়ে নজরুল গবেষক প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মতো কবিতা বাংলা সাহিত্যে অতীতে কেউ লেখেনি, ভবিষ্যতেও কেউ হয়ত লিখতে পারবে না। এমনি ‘বিদ্রেহী’ কবিতার যিনি রচয়িতা, আমাদের জাতীয় কবি নজরুল ইসলাম ২২ বছর বয়সে কবিতাটি লিখেছিলেন। এরপর ৪২ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি নিজেও অনেক কবিতা লিখেছেন। কিন্তু তিনিও কখনো ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মত আরেকটি কবিতা লিখতে পারেন নি। সবার উপরে যে মহান স্রষ্টা আছে হয়ত তাঁর হাত দিয়েই এমন একটি কবিতার সৃষ্টি করেছেন।

‘বিদ্রোহী’ কবিতাকে ‘কালোত্তীর্ণ’ আখ্যা দিয়ে প্রফেসর ড. সৌমিত্র বলেন, এই কবিতাকে নিয়ে আমরা যারা গবেষক তারা অনেকেই নানান চিন্তা করেছি, ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কখনো তাকে অতিক্রম করা যায় নি। অতিক্রমের কথা চিন্তা করতে পারেনি। কবি যেন কেমন করে তার জীবন গাঁথা কি অবলীলায় এই কবিতায় বর্ণণা দিয়ে গেছেন।

বঙ্গবন্ধু ও নজরুলের মধ্যকার সাদৃশ্যের কথা তুলনা করে উপাচার্য ড. সৌমিত্র বলেন, বঙ্গবন্ধু যে চেতনা ধারন করেছেন তা তিনি পেয়েছেন নজরুলের লেখনী দর্শন থেকে। অবশ্যই বঙ্গবন্ধু নিজের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও চেতনা দিয়ে অনেকদূর এগিয়ে গেছেন তবে নজরুলের লেখনী থেকে ঋদ্ধ হয়েছেন। তার ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে নজরুল দর্শন। আমরাও সে আদর্শের পরম্পরাকে ধারণ করি। যে আদর্শ হলো ধর্ম নিরপেক্ষ বাংলাদেশ, অসাম্প্রদায়িক চেতনার বাংলাদেশ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম,কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আহমেদুল বারী,গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ড. মো.সাহাবউদ্দিন। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মুজিব বর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন কমিটি-২০২১ এর সদস্য সচিব তপন কুমার সরকার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ইন্সটিটিউট অব নজরুল স্টাডিজের অতিরিক্ত পরিচালক রাশেদুল আনাম।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

শিক্ষা বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image