• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১৯ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

মিয়ানমারের গোলার আতঙ্কে সেন্টমার্টিনের সীমান্তবর্তী মানুষ 


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ০৫:৪৪ পিএম
মিয়ানমারের গোলার আতঙ্কে মানুষ 
সেন্টমার্টিন সীমান্ত

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষে মর্টার শেল ও ভারী গোলার বিকট শব্দ শুনতে পাচ্ছে কক্সবাজারে টেকনাফ সীমান্তের মানুষ। 

বুধবার বিকেল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন দ্বীপে আবারও সীমান্তে গোলার শব্দ ভেসে আসছে ওপার থেকে। এতে লোকজনের মাঝে বাড়ছে আতঙ্ক। 

সীমান্তের কাছকাছি টেকনাফের পৌরসভার জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ ইসলাম বলেন, ‘সন্ধ্যা থেকে রাখাইন রাজ্যে থেকে ভারী গোলার বিকট শব্দ এপারে ভেসে আসছে। এতে বিশেষ করে নারী-শিশুদের নিয়ে ভয়ে রয়েছে সীমান্তের মানুষ। এভাবে আর কত দিন মানুষ আতঙ্কের দিন পার করবে। দিন দিন ওপারের গোলার শব্দ আওয়াজ বাড়ছে। আমরা শুনেছি ওপার থেকে কিছু মানুষ অনুপ্রবেশের অপেক্ষা করছে।' 

আবারও সীমান্তের গোলার বিকট শব্দ পাওয়া যাচ্ছে উল্লেখ করে টেকনাফ পৌরসভার দক্ষিণ জালিয়াপাড়ার কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান বলেন, ‘সীমান্তের বসবাসকারীদের মাধ্যমে ওপার গোলার বিকট শব্দ বিষয়ে অবহিত হয়েছি। সীমান্তে ভারী গোলার বিকট শব্দ নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ ধরনের গোলার বিকট আওয়াজ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে।'

এদিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে বাংলাদেশের দিকে গুলি চালানোর পরিপ্রেক্ষিতে মূল ভূ-খণ্ডের সঙ্গে দেশের একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের গত ১২ দিন ধরে নাফ নদী-রুটে যোগাযোগ বন্ধ থাকায় ফের দ্বীপে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সংকটে পরবে। এতে  দ্বীপের বসবাকারী প্রায় দশ হাজার মানুষ দুশ্চিন্তার মধ্য রয়েছে।

দ্বীপের বাসিন্দা নুরুল আলম বলেন, 'বিকেল থেকে মিয়ানমারের ওপার থেকে দ্বীপে গোলার বিকট শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।  তাছাড়া সেদেশের সীমান্তে যুদ্ধ জাহাজও রয়েছে। ঈদের আগে কক্সবাজার থেকে জাহাজে করে যেসব নিত্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য এনেছিল সেগুলো শেষ হওয়ার পথে। এছাড়া জিনিস পত্রেট দাম দুই গুন বেড়েছে। মুলত আগের মতো টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে নৌযান চলাচল শুরু হলে সকল সমস্যা শেষ হতো।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, 'সারাদিন বৃষ্টিতে দ্বীপের কিছু অংশ ডুবন্ত ছিল। কিন্তু বৃষ্টি থামার সাথে সাথে পানিও নেমে গেছে। আজকেও ওপার থেকে গোলাী শব্দ পাওয়া গেছে। মুলত দ্বীপের একমাত্র সমস্যা হচ্ছে নৌযান চলাচল। এটি চালু হলে দ্বীপের মানুষের কোন সমস্যা আর থাকতো না। এখন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ফের সংকটের পথে। যার কারনে দ্বীপের মানুষ দুশ্চিন্তার মধ্যে রয়েছে।' 

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. মোঃ আদনান চৌধুরী বলেন,'এখনো মিয়ানমার সীমান্তে গুলি বর্ষণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। তবে লোকজন যাতে ভয়ভীতিী মধ্য না থাকে সেজন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। তাছাড়া টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুট চলাচলের বিকল্প পথ শীঘ্রই চালু করার কথা ভাবা হচ্ছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image