• ঢাকা
  • শনিবার, ৯ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

নদীভাঙন রোধে পুরান ভাবনা নতুন করে বলি


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ০৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:১৭ পিএম
পানি উন্নয়ন বোর্ড গতানুগতিকভাবে বাঁধটিকে পেছনে সরিয়ে নেয়।
বর্ষাকালে নদীভাঙন

ড. আইনুন নিশাত

বর্ষা শেষ হচ্ছে। নদীগুলো এখনও কানায় কানায় ভর্তি। বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে বর্ষাকাল কখনও আগে শুরু হচ্ছে, কখনও বিলম্বিত হচ্ছে। বৃষ্টিপাত ও বন্যার স্বাভাবিক চক্রেও তারতম্য দেখা দিয়েছে। এর ফলে নদীপ্রবাহের গতি-প্রকৃতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসছে। এই পরিবর্তন ভবিষ্যতে আরও স্পষ্ট হবে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে বন্যা বাড়ছে কিংবা বন্যার তীব্রতায় মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। সংবাদমাধ্যমের খবরের সঙ্গে আমার কিছু দ্বিমত আছে। সংবাদমাধ্যমে বন্যার যে ছবিগুলো ছাপানো হচ্ছে সেগুলো চরাঞ্চলের ছবি। নদী কানায় কানায় পূর্ণ হলে চরগুলো ডুবে যাবে এটাই স্বাভাবিক। তার সঙ্গে যোগ হচ্ছে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম নিয়ে কর্তৃপক্ষের বক্তব্য। বিপৎসীমা হলো- নির্ধারিত পানির উচ্চতা। যেখানে নদীর পাড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ নেই, সেখানে পাড় উপচে পানি উঠে ফসলের ক্ষতি হলে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে বলা যাবে। যেমন পদ্মা নদীর সুরেশ্বর পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে শরীয়তপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের নিচু জায়গাগুলো পানিতে ডুবে যেতে পারে।

ফরিদপুর নিবাসী এক বন্ধুকে ফোন করে সেখানকার বন্যা পরিস্থিতি জানতে চেয়েছিলাম। তিনি বললেন, 'আমরা স্বাভাবিক কারণেই এ সময় উচ্চ ফলনশীল ধান লাগাই না। এই ধান লাগানো হয় সেপ্টেম্বরের শেষে কিংবা অক্টোবরের শুরুতে। আর দেশীয় প্রজাতির ধান লাগানো হলে তা পানির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাড়তে পারে। তবে এ ধরনের ধানের পরিমাণ কমে গেছে।' অর্থাৎ তিনি ইঙ্গিত দিলেন- যে পরিমাণ পানি উঠেছে তা স্বাভাবিক এবং সেখানকার জনগণ তার জন্য প্রস্তুত। চরাঞ্চলে পানি উঠেছে, যা খুবই স্বাভাবিক। বরং ওই উচ্চতাতে পানি না উঠলেই আমরা মনে করতাম প্রকৃতি ঠিকমতো আচরণ করছে না। একই বিষয় জড়িত জামালপুর-শেরপুর অঞ্চলে। এ অঞ্চলেও বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ নেই। কাজেই প্রাকৃতিকভাবে সেখানে পাড় উপচে পানি উঠলেও উঠতে পারে। তবে রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা অঞ্চলের মতো যেখানে যেখানে বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ আছে, সেখানে যদি বাঁধ ভেঙে যায় সেটা খুবই দুঃখজনক। কারণ, বাঁধ ভেঙে বন্যা হওয়ার কথা নয়।

এই প্রেক্ষিতে আমার প্রস্তাব হলো- বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পরপরই জরুরিভিত্তিতে পর্যালোচনা করে সারাদেশের সব বাঁধের ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের বর্ষায় পানির চাপে তা ভেঙে না যায়। এক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী টাস্কফোর্স করা যেতে পারে। ড্রেজিংয়ের নামে হাজার কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে, এই কার্যক্রম পরিকল্পিতভাবে নদীর পাড়ের বাঁধের সঙ্গে সম্পর্কিত করে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে পুনর্মূল্যায়ন এবং পুনর্নিমাণ করা যেতে পারে। ইতোমধ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি কিংবা বিআইডব্লিউটিএ যে অর্থ বরাদ্দ করছে এই অর্থই যথেষ্ট বলে মনে করি। প্রয়োজন কেবল উপযুক্ত পরিকল্পনা, দূরদৃষ্টি এবং মাঠ পর্যায়ের সমস্যা অনুধাবন করা।

বস্তুত আমরা গত ৫০ বছর ধরে যে গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় পানি ব্যবস্থাপনা করে আসছি এর খোল-নলচে বদলাতে হবে। সরকার 'ডেলটা প্ল্যান' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। সেই পরিকল্পনায় যে নীতিমালার কথা উল্লেখ রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনায় যে দিকনির্দেশনা আছে তার ভিত্তিতেই এই কথাগুলো বলছি। জবাবদিহিহীন ও অংশীদারিত্বহীন কর্মকাণ্ড বন্ধের সময় এসেছে। স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে, তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এবং পুরো কাজটি জবাবদিহিতামূলক পদ্ধতিতে পরিকল্পনার মাধ্যমে এগিয়ে নিতে হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এ লক্ষ্যে বহু কথা বলছেন, বহু দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন; কিন্তু গতানুগতিকপানির চাপে তার চাপে কর্মপদ্ধতিতে পরিবর্তন আসছে না।

আরেকটি বড় প্রশ্ন হলো- বাঁধ ভাঙার ফলে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাদের ক্ষতির দায় কে নেবে? কাউকে না কাউকে এই দায় নিতে হবে। বাঁধ ভাঙার একটি কারণ হলো নদীভাঙন। নদী থেকে কিছুটা দূরে বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ নির্মাণ করা হয়। নদী যদি ভাঙতে থাকে তাহলে কিছুদিন পরে কিংবা কয়েক বছর পরে নদীভাঙন বাঁধের দোরগোড়ায় পৌঁছায়। বাঁধ কিছুতেই নদীভাঙনের ঝুঁকি সামলাতে পারে না। বাঁধ ভেঙেছে এরকম বহু জায়গায় জনসাধারণের সঙ্গে কথা বলেছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড গতানুগতিকভাবে বাঁধটিকে পেছনে সরিয়ে নেয়। এ কাজটি স্থানীয়রা খুবই অপছন্দ করে। তাহলে পানি উন্নয়ন বোর্ড কেন এ কাজ করে? কারণ নদীভাঙন রোধের জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়। এতদিন পর্যন্ত নদীভাঙন রোধে অর্থনৈতিকভাবে অর্থনৈতিক সমীক্ষায় তাকে যুক্তিসংগত প্রমাণ করা কষ্টকর ছিল। কিন্তু সামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি কমানোর মাধ্যমে যে উপকার হয় তা হিসাবে নেওয়া হয় না। সরকার এখন ভাবছে নদীভাঙন রোধ করা প্রয়োজন। আমি এ চিন্তাকে স্বাগত জানাই।

মনে রাখতে হবে- বড় বা মাঝারি বা ছোট যাই হোক না কেন নদী ভাঙতে পারে। নদীর এক পাড়ে যদি চর পড়ে তাহলে স্বাভাবিকভাবে নদীটি ভাটিতে অন্যদিকে ভাঙনের সৃষ্টি করে। কাজেই এই ভাঙন ঠেকাতে হলে নদীর এ স্রোতকে ঠেলে মাঝের দিকে পাঠাতে হবে এবং যে জায়গায় ভাঙছিল সেখানে পলি যাতে জমে তার ব্যবস্থা করতে হবে। এই ব্যবস্থাপনার জন্য আমাদের একটি দেশীয় পদ্ধতি আছে। যমুনা নদীতে নাব্য রাখার জন্য অর্থাৎ নদীর মধ্যস্থলজুড়ে একটি গভীর চ্যানেল সৃষ্টি করার জন্য এই পদ্ধতি যুগ যুগ ধরে ব্যবহূত হতো। একে বাংলায় বলা হয় 'বান্ধাল'। বাঁশের খুঁটি প্রবাহের সঙ্গে কৌনিকভাবে স্থাপন করে তার ওপরে বাঁশের দরজা আটকে দিলে পানি বাধ্য হয় নিচের খোলা জায়গা দিয়ে প্রবাহিত হতে। তখন সে নদীর মধ্যখান থেকে পলি তুলে নিয়ে পাড়ের দিকে জমা করে। এতে নদীর মধ্যস্থল গভীর হয় এবং পাড় উঁচু হয়। তবে নদীর গভীরতা বেশি হলে এ কাজটি করা সম্ভব নয়।

কয়েকদিন আগে একটি দৈনিকের প্রতিবেদনে দেখলাম, কুড়িগ্রামের রৌমারীতে জিঞ্জিরাম নদীতে এ ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে গ্রামবাসী সুফল লাভ করেছে। এটা কোনো সরকারি উদ্যোগে হয়নি। একটি এনজিওর মাধ্যমে কাজটি হয়েছে। সেই এনজিও স্বীকার করেছে, ওই প্রযুক্তি গ্রামবাসী উপস্থাপন করেছে।

নদীর পানিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য বড় নদীর ক্ষেত্রে পানি উন্নয়ন বোর্ড যে কাজটি করে থাকে তা হলো- বড় গ্রোয়েন নির্মাণ। যমুনার ডানপাড়ে অনেক গ্রোয়েন আছে। আমার ধারণা এই গ্রোয়েনগুলোর ডিজাইন পর্যালোচনা করে এই প্রজেক্টটিরও উন্নয়ন করা সম্ভব। আমি অনেকদূর পর পর অনেক লম্বা গ্রোয়েন তৈরি না করে কাছাকাছি দূরত্বে ছোট ছোট গ্রোয়েনের পক্ষে। বুয়েটে শিক্ষকতা করার সময় যখন নদীশাসন পদ্ধতি পড়াতাম তখন এই বিষয়ে ছাত্রদের সঙ্গে অনেক কথা বলেছি। খুব ছোটো নদীর ক্ষেত্রে জৈবিক পদ্ধতি গ্রহণ করা যেতে পারে। নদীর পাড়ে ঢোল কলমি, ছন এবং ভার্টিবার গ্রাস বলে বিশেষ এক ধরনের ঘাস লাগালে নদীর শক্তি কমে আসতে পারে। যেখানে নদীর পানিকে অন্যত্র ঠেলে দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে স্বাভাবিকভাবে নদীর পাড়কে শক্ত উপাদান দিয়ে বেঁধে ফেলতে হবে। যাতে নদীর স্রোত পাড়কে ঠেলে নিয়ে যেতে না পারে। এর জন্য সবচেয়ে ভালো হয় বড় আকৃতির পাথর ব্যবহার করা। পাথর না থাকলে কংক্রিটের ব্লক ব্যবহার করা যেতে পারে। জিও ব্যাগও ব্যবহার করা যেতে পারে।

আমরা যাই ব্যবহার করি না কেন তার ডিজাইন সঠিক হতে হবে। এই ডিজাইনের মধ্যে কিছু প্যারামিটার ধরতে হবে। প্রথমত, তার সার্বিক ওজন। এই ওজনের পরিমাণ নির্ভর করবে কোন ঢালে তা স্থাপিত হচ্ছে। নির্মাণের সময় মনে রাখতে হবে, নদীর তলদেশ আরও গভীর হতে পারে। বর্তমানে সরকারি প্রক্রিয়ায় নদীভাঙন রোধে যেসব প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় তাতে নদীভাঙনরোধকের সার্বিক ওজন, উপযুক্ত ঢাল ও নদীর তলদেশ কত গভীর হতে পারে এ তিনটি বিষয়ই ঠিকমতো নির্ধারিত হয় না। একজন প্রকৌশলী গাণিতিকভাবে এই তিনটির সম্পর্ক নির্ধারণ করে সঠিকভাবে ডিজাইন করতে পারেন। অর্থাৎ ঢাল পরিবর্তন করে অথবা ঢালটিকে আরও গুটিয়ে দিয়ে নদীভাঙনরোধকের ওজন কমানো যেতে পারে। পানির তলায় নদী কী রকম আচরণ করছে তা নদীবিজ্ঞানের মাধ্যমে অনুমান করা যায়।

৫০-৬০ বছর আগে দেখেছি, কেবল নগর রক্ষায় নদীশাসনের কাজ কিংবা নদীর পাড় রক্ষার কাজ হাতে নেওয়া হতো। চাঁদপুর কিংবা সিরাজগঞ্জে যে টাকা খরচ হয়েছে তাতে শহরগুলো অন্যত্র স্থানান্তর করা যেত। তবে, একটি শহর অন্যত্র স্থাপন করা সহজ, কিন্তু শহরের ঐতিহ্য অন্য জায়গায় অন্যত্র নিয়ে যাওয়া সম্ভব না। ১৯৮৭-৮৮ সালের বন্যার পরে নদী ভাঙছে কেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণকারী বাঁধ ধসে পড়ছে কেন- এ বিষয়গুলো মূল্যায়ন করা হয়। ১৯৮৯ সালে বন্যা ব্যবস্থাপনা নামক একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু আমরা সেই নীতিমালার কথা সম্ভবত পুরোপুরি ভুলে গেছি। ওই নীতিমালায় পরিস্কারভাবে বলা হয়েছে, নদীভাঙন রোধ ছাড়া দেশের বন্যা ব্যবস্থাপনার বাঁধগুলো টিকিয়ে রাখা যাবে না।

পরিকল্পিতভাবে নদীশাসনের কাজটি করতে হবে। চীন থেকে আসা বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় মহাপরিকল্পনা প্রণীত হয়েছিল। কিন্তু তখন নদীভাঙন রোধে অর্থনীতিবিদরা প্রকল্প সমর্থন করতে রাজি হননি। অর্থনৈতিক চুক্তির সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা চিন্তা করে নদীশাসনের বিষয়ে ভাবা হচ্ছে। কিন্তু এই কাজে প্রযুক্তি নির্বাচন নিয়ে কি ভাবা হচ্ছে? এই লক্ষ্যে কোনো কাজ হচ্ছে বলে আমার জানা নেই।

নদীভাঙন ঠেকানো সম্ভব। যদি উপযুক্ত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। এর জন্য যে খরচ হবে তার যৌক্তিকতা, নিরেট অর্থনীতির বিবেচনায় কোনোদিন পূরণ হবে না। আমি মনে করি, বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অবস্থা দিনে দিনে ভালো হচ্ছে। আমরা এখন নদীশাসনের প্রকল্প হাতে নিতে পারব। নদী ব্যবস্থাপনা উন্নতির জন্য ড্রেজিং করা হচ্ছে। এই ড্রেজিংয়ের কাজ কি পরিকল্পিতভাবে হচ্ছে? এই কাজ কি রাজনীতিবিদদের? না, এটি বিশেষজ্ঞদের কাজ। বিশেষজ্ঞদের বিশেষ জ্ঞান কি এ কাজে ব্যবহার হচ্ছে? না, হচ্ছে না। কেন হচ্ছে না? কারণ জবাবদিহিতা নেই, অংশীদারিত্ব নেই, স্থানীয় জ্ঞান এ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে না। সরকার পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করছে। কিন্তু অর্থ বরাদ্দ করলে আর পরিকল্পিভাবে কাজ না করলে উপকারের পরিবর্তে অপচয় হতে পারে, এমনকি ক্ষতিও হতে পারে।

বন্যা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। ১৯৫৪, ৫৫, ৫৬ সালের বন্যার পরে বঙ্গবন্ধু বন্যা ব্যবস্থাপনার পক্ষে যে জোরালো রাজনৈতিক দাবি তুলে ধরেছিলেন, তা আমরা ভুলতে বসেছি। বন্যা ব্যবস্থাপনাতে আমরা অনেক এগিয়েছি, তারপরও আমাদের অনেক ভুল বোঝাবুঝি আছে। এটিকে ডেলটা প্ল্যানের আওতায় এনে পুনর্মূল্যায়ন করা হলে মানুষকে উপকার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। নদীভাঙন রোধে গতানুগতিক পদ্ধতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। সঠিক, বিজ্ঞানসম্মত ও প্রকৌশলসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে এবং এ কাজে বিপুল অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হবে। তবে, যতটুকু অর্থ বরাদ্দ হবে তা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

পানিসম্পদ ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞ; ইমেরিটাস অধ্যাপক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়

ঢাকানিউজ২৪.কম /

খোলা-কলাম বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image