• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৭ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২০ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

বিরামপুর হানাদার মুক্ত দিবস পালিত


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৩২ পিএম
হানাদার মুক্ত দিবস
হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বিরামপুর প্রতিনিধি, দিনাজপুর: ৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিন, দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় শত্রুমুক্ত হয়। স্বাধীন বাংলার আকাশে উড়ে ওঠে বিজয়ের পতাকা।

দিবসটি উপলক্ষে ৬ ডিসেম্বর সোমবার সকাল ১১টায় বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শোভাযাত্রা,আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত বিরামপুর মুক্ত দিবস অনুষ্ঠানটি উপজেলা বিরামপুরে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,বিরামপুর প্রেসক্লাব ও মিডিয়া পার্টনার আজকের পত্রিকার আয়োজনে পালিত হয়েছে।  

১৯৭১ (একাত্তর) মুক্তিযুদ্ধে বিরামপুর উপজেলার রয়েছে গৌরবগাঁথা ইতিহাসের বিরল চিত্র। উপজেলার মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরকে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঘোড়াঘাট রেলগুমটি,কেটরা শালবাগান, ভেলারপাড় ব্রীজ,ডাক বাংলা ও পূর্বজগন্নাথপুর মামুনাবাদ বাঙ্কার বসিয়ে সতর্ক অবস্থায় করেন।

পাকসেনারা ৪ ডিসেম্বর বিরামপুর পাইলট স্কুলের সম্মুখে ও ঘাটপাড় ব্রিজে প্রচন্ড শেলিং করে ভাইগড় গ্রাম দিয়ে তীরমনিতে ৪টি শেল নিক্ষেপ করে। দেশ স্বাধীন করার জন্য আমাদের দামাল ছেলেরা যৌবনের দুরন্ত সময়ে দেশ মাতৃকার টানে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে শত্রুদের কবল থেকে আমারদের বিরামপুরকে মুক্ত করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে ৭নং সেক্টর মেজর নাজমুল হুদা ও মেজর নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ভারতের কালিয়াগঞ্জ তরঙ্গপুর ক্যাম্পে দেশ ও মাতৃকার টানে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণ গ্রহন করেন। উক্ত যুদ্ধে অত্র উপজেলায় ২০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন।

পঙ্গু হয়েছে ২জন এবং যুদ্ধে মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন ১৩ জন মুক্তিযোদ্ধা। এই বিরামপুরের গোহাটির কূয়া,ঘাটপাড় ব্রীজ,২নং রাইচ মিলেরর কূয়া বদ্বভূমি হিসাবে পরিচিত লাভ করেছে। যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাক হানাদার বাহিনী গণহত্যা করে শহীদদের লাশ এইসব স্থানে পুঁতে রাখেন যাহা জনগণের দৃষ্টি গোচরে ছিলেন।

আজও নির্মিত হয়নি বিরামপুর উপজেলার কোথাও স্মৃতিস্তম্ভর সৃতিসৌধ। পক্ষান্তরে কেটরাহাটে লোমহর্ষক ও সম্মুখ যুদ্ধে ৭ জন পাকসেনা এবং ১৬ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়। ৬ই ডিসেম্বর বিরামপুর শত্রুমুক্ত করে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন করেন।

অত্র দিবসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার,বিরামপুর পুলিশ সার্কেল ওহিদুল ইসলাম,মুক্তিষোদ্ধা কমান্ডার হবিবর রহমান ও সকল মুক্তিযোদ্ধা গণ,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম মন্ডল,বিরামপুর প্রেসক্লাব সভাপতি ড.নুরুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মশিউর রহমান সহ স্হানীয় জনসাধারণ উপস্থিত ছিলেন।।

ঢাকানিউজ২৪.কম / রেজওয়ান আলী/কেএন

উৎসব / দিবস বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image