• ঢাকা
  • শনিবার, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২১ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

খাদ্য গুদাম ব্যবস্থাপনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সফটওয়্যার চালু


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ২১ ফেরুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৩:১৪ পিএম
উপজেলা খাদ্য গুদামের কার্যক্রম সফটওয়্যারের মাধ্যম
উপজেলা খাদ্য গুদাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় খাদ্য গুদাম ব্যবস্থাপনায় “সরকারি খাদ্য গুদামের খামাল ব্যবস্থাপনা” নামে একটি সফটওয়্যার চালু করা হয়েছে। দেশে প্রথমবারের মতো ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার জন্য এই সফটওয়্যার তৈরী করা হয়।

জেলা খাদ্য অধিদপ্তরের তৈরী এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কক্ষে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে জেলার সকল গুদামের কার্যক্রম তদারকি করা যাবে। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের নিজ আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সফটওয়্যারের কার্যক্রম সাংবাদিকদের দেখান জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সুবীর নাথ চৌধুরী বলেন,পাইলট প্রকল্পের আওতায় আপাতত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা খাদ্য গুদামের কার্যক্রম সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে খাদ্য গুদামের মজুদ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অফিস থেকে খামাল কার্ড নিয়ে খাদ্য গুগামে প্রবেশ করে মজুদ খাদ্যশস্য যাচাই-বাছাই করতে হয়। এরপর সেখান থেকে দৈনিক পণ্য ও প্রকার ভিত্তিক মোট মজুদ তথ্য উপজেলা ও জেলা অফিসে পাঠান। এছাড়া গুদামে খামাল ভিত্তিক মজুদের তথ্য প্রয়োজন হলে খাদ্য গুদাম থেকে পৃথকভাবে তথ্য সংগ্রহ করতে হয়।

সুবীর নাথ চৌধুরী আরো বলেন, গুদামে সংরক্ষিত খাদ্যশস্য মজুদ ব্যবস্থাপনা তদারকিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক প্রতিমাসে আটবার এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক প্রতি দুইমাসে একবার খাদ্য গুদামগুলো পরিদর্শনের নির্দেশনা রয়েছে। প্রকৃতপক্ষে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকরা মাসে দুইবার এবং জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক দুই মাসে একবার খাদ্য গুদামগুলোতে গিয়ে খামালের মজুদ যাচাই-বাছাই করেন। মূলত গুদামে প্রবেশ না করে গুদামের খামালে কোন খামালে কী পরিমাণ মজুদ আছে- সেটি জানার সুযোগ নেই। কোন কোনো ক্ষেত্রে খামালের অবস্থান মার্ক করা হয় না, ফলে ওয়ারেন্টি ভঙ্গ করে খাদ্যশস্য বিতরণের সুযোগ থাকে। তবে সফটওয়্যার চালু করার ফলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা দূরে অবস্থান করেও খামালভিত্তিক মজুদ ও ট্রানজেকশন তদারকি করতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাউছার সজীব সহ প্রতিষ্ঠানটির অন্যান্য কর্মকর্তা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

সারাদেশ বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image