• ঢাকা
  • বুধবার, ২০ আশ্বিন ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৫ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে আনতে কূটনীতিকদের সহযোগিতার আহবান


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ২১ আগষ্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০২:৪৬ পিএম
বিদেশি কূটনীতিকদের সহায়তা কামনা করেন
বঙ্গবন্ধু জাদুঘর

নিউজ ডেস্ক:  বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে শাস্তি কার্যকর করার জন্য কূটনীতিকদের সহযোগিতা  চেয়েছে আওয়ামী লীগ। শনিবার জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ সহযোগিতা চেয়েছেন আওয়ামী লীগের নেতা ও সরকারের মন্ত্রীরা। কোনো প্রতিশোধ স্পৃহা থেকে নয়, ইতিহাসকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতেই বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের কুশীলব চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনতে সরকার কমিশন গঠন করবে বলে জানিয়েছেন তারা।

উপকমিটির চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত মো. জমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও উপকমিটির সদস্যসচিব শাম্মী আহমেদ। সভায় আইনমন্ত্রী এডভোকেট আনিসুল হক, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ  বক্তব্য রাখেন ।

এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান ও জাহাঙ্গীর কবির নানক।

সভার শুরুতে পনের আগস্টে নিহতদের স্মরণে দাড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। এরপর পনের আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তুলে ধরেন প্রত্যক্ষদর্শী রমা।

সভায় প্রতিরক্ষা বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য নাহিদ ইজাহার খান পনের আগস্টের ধারাবাহিকতায় তার পিতার হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। কীভাবে জেনারেল জিয়াউর রহমান তার পিতার হত্যার বিচারে বাধা দিয়েছেন, তার বর্ণনাও দেন ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ অনুসরন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার বৈদেশিক সম্পর্ক জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি মেনে চলছে বর্তমান সরকার।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের  হত্যাকাণ্ড ও এর বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, পঁচাত্তরে শুধুমাত্র ব্যক্তি মুজিব বা দেশের প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা হয়নি, দেশের স্বাধীনতাকেও হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যারা কাজ করেছে তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা সকলের দাবি। নেপথ্যের অপরাধীদের চিহ্নিত করতে সরকার কমিশন গঠন করবে। কোনো প্রতিশোধ স্পৃহা থেকে নয়, ইতিহাসকে তার সঠিক জায়গায় প্রতিস্থাপিত করতে এবং নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করে বিচারের আওতায় আনতেই এই কমিশন গঠন করা হবে।

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের মধ্যে যারা বিদেশে অবস্থান করছে, তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে  ঢাকাস্থ বিদেশি কূটনীতিকদের সহায়তা কামনা করেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা। উপস্থিত কূটনীতিকদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, বিএনপি যখন আপনাদের কাছে মানবাধিকারের বিষয়ে কথা বলে তখন তাদের কাছে জানতে চাইবেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের মতো বড় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাটি কেন ঘটেছিল। বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিেেয় এনে শাস্তি কার্যকর করার জন্য কূটনীতিকদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সভা শেষে বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিকরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর তারা বঙ্গবন্ধু জাদুঘর পরিদর্শন করেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image