ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআইন ও আদালতচাঁদা না দেয়ায় প্রকাশ্যে গুলি, গ্রেফতার ২

চাঁদা না দেয়ায় প্রকাশ্যে গুলি, গ্রেফতার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক:   রাজধানীর বাড্ডায় চাঁদা না দেয়ায় চাঁদাবাজদের গুলিতে একজন গুরুতর আহত। এ ঘটনায় অস্ত্রধারী চাঁদাবাজ গ্রুপের দুই সদস্যকে গ্ৰেফতার করেছে বাড্ডা থানা পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন: মো. দেলোয়ার হোসেন (৫৭) ও মো. নূর আলম অনি (৩৩)। রোববার রাত সাড়ে ৮টায় দক্ষিণ বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

সোমবার ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এসব তথ্য জানান।

বাড্ডা থানা সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি বাড্ডা থানার চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকার বাসিন্দা জনৈক মো. জুয়েল খন্দকারের কাছে ফোন করে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে একটি অস্ত্রধারী চাঁদাবাজ গ্রুপ। সে সময় তিনি চেয়ারম্যান বাড়ি মোড়ের একটি মহিলা সমিতির মিটিংয়ে ছিলেন। তিনি চাঁদার টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিছু সময় পর ৫-৬টি মোটরসাইকেলযোগে ১১-১২ জন দুষ্কৃতকারী মহিলা সমিতিতে আসে। এ সময় জুয়েল সমিতির মিটিং থেকে বের হয়ে এলে দুষ্কৃতকারীদের মধ্যে সুমন পিস্তল বের করে জুয়েলের ডান পায়ে গুলি করে। জুয়েল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লে দুষ্কৃতকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা তাদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল রেখে পালিয়ে যায়। পরে আহত জুয়েলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এ ঘটনায় ১৯ জানুয়ারি ভিকটিম মো. জুয়েল খন্দকারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বাড্ডা থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ৫-৭ জনের বিরুদ্ধে একটি নিয়মিত মামলা করেন।

মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, মামলার পর বাড্ডা থানা পুলিশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতারে তৎপরতা চালায়। পুলিশ ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রাতে দক্ষিণ বাড্ডা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত দেলোয়ার ও নূর আলম অনিকে গ্রেফতার করেছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেফতাররা ও তাদের সহযোগীরা পেশাদার চাঁদাবাজ গ্রুপের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে বাড্ডা এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছে বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

মুহাম্মদ তালেবুর রহমান আরও জানান, বাড্ডা থানার মামলায় গ্রেফতারদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular