ঢাকা  বুধবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকট্রাম্প-পুতিনের ফোনালাপে রাশিয়া বলছে ইউরোপের শক্তি দুর্বল হয়ে গেছে

ট্রাম্প-পুতিনের ফোনালাপে রাশিয়া বলছে ইউরোপের শক্তি দুর্বল হয়ে গেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাঝে ফোনকলে আলোচনার ঘটনায় ইউরোপ ঈর্ষান্বিত এবং ক্ষুব্ধ। কারণ এই দুই নেতার ফোনকলে বৈশ্বিক পর্যায়ে ইউরোপের শক্তি যে দুর্বল হয়ে গেছে, সেটি পরিষ্কার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তা সংক্রান্ত সর্বোচ্চ পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ এসব কথা বলেছেন।

এর আগে, বুধবার টেলিফোনে কথা বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই দুই নেতার ফোনকলের ঘটনায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) কিছু রাজনীতিবিদের মাঝে উদ্বেগ দেখা গেছে। পুতিন এবং ট্রাম্প কিয়েভের জন্য সুবিধাজনক না হওয়া সত্ত্বেও ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইউরোপের নেতারা।

বৃহস্পতিবার জার্মানির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, মার্কিন প্রশাসন আলোচনা শুরুর আগেই ইতোমধ্যে রাশিয়াকে ছাড় দেওয়ার কথা বলেছে; যা দুঃখজনক।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী মেদভেদেভ বলেছেন, ইউরোপ হিংসা এবং ক্রোধে পাগল হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, পুতিন-ট্রাম্পের ফোনকলের বিষয়ে ইউরোপকে জানানো হয়নি কিংবা তারা কী বিষয়ে আলোচনা করেছেন, সেই বিষয়েও ধারণা দেওয়া হয়নি। এটা নিয়ে তারা ক্ষুব্ধ।

রাশিয়ার সাবেক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘‘এতে বিশ্বে রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রকৃত ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। ইউরোপের সময় শেষ।’’

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে সহায়তা করার জন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাঝে শীর্ষ সম্মেলন করার প্রস্তাব তৈরি করেছে চীন। বেইজিংয়ের এই পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

বেইজিং ও ওয়াশিংটনের কর্মকর্তারা বলেছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চীনা কর্মকর্তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ট্রাম্পের দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তারা দুই রাষ্ট্রনেতার জন্য শীর্ষ সম্মেলন আয়োজন ও চূড়ান্ত যুদ্ধ অবসানের পরের শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টার সুবিধার্থে একটি প্রস্তাব তৈরি করছেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular