নিউজ ডেস্ক : এশিয়ান কাপ ২০২৭ বাছাইপর্বের গ্রুপ সি-তে বাংলাদেশ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হয় হংকংয়ের সঙ্গে।
শুরু থেকেই বাংলাদেশকে “মাস্ট–উইন” ম্যাচ হিসেবে নিচ্ছিল, কারণ গ্রুপে এখন পর্যন্ত মাত্র এক পয়েন্ট নিয়ে তারা সপ্তম স্থানে রয়েছে।
হংকং–এর পক্ষে ছিল চার পয়েন্ট, তারা ইতিমধ্যে একটি জয় ও একটি ড্র অর্জন করে ইতিবাচক অবস্থানে ছিল।
বাংলাদেশ দলের হয়ে নিবেদিতভাবে কাজ করছেন লেস্টার সিটির মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরি, যিনি দলে মানসিক ও খেলোয়াড়ি শক্তি নিয়ে আসার চেষ্টা করছেন।
ম্যাচ শুরু থেকেই বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে এবং ১৩ মিনিটে হামজা চৌধুরি দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে গোলে পরিণত করেন।
বেশ কিছু সময় বাংলাদেশ আধিপত্য বজায় রাখে- বল দখল, মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ, ও আক্রমণ চেষ্টা।
তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে হংকংয়ের পাওয়া কর্নার থেকে পাওয়া বল জালে জড়াতে ভুল করেননি ফরোয়ার্ড এভারটন কামারগো গোল শোধ দেয় হংকং — এবং খেলার সমতা ফিরে আসে।
হংকং দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ সাজায় এবং ম্যাচে পূর্ণ প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়।
রাপাহেল মার্কিস নামে একটি পরিবর্তিত খেলোয়াড় হঠাৎ মাঠে নামার পর দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোল করে হংকংকে লিড এনে দেন।
এরপর বাংলাদেশ ফিরে আসার চেষ্টা করে: ৮৪ মিনিটে শেখ মোরসালিন একটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন, স্কোর প্রায় সমানের দিকে নিয়ে আসেন।
শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের একটি সুযোগ থেকে শমিত সোম গোল করতে সক্ষম হন, খেলা হয়েছে ৩–৩।
কিন্তু অতিরিক্ত সময়ে হংকং আবার গোল করতে সক্ষম হয়, ফলে খেলা শেষ হয় ৩–৪ হংকংয়ের জয় দিয়ে।
মাঠে দর্শকের ভিড় ছিল এবং সমর্থকরা উল্লাসে মেতে উঠেছিল বাংলাদেশি খেলোয়াড়রাসহ পুরো গ্যালারি।
বাংলাদেশ কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা ম্যাচ পর সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা হংকংয়ের শক্তি ও দুর্বলতা বুঝি, দল প্রস্তুত ছিল।”
তবে প্রতিরক্ষা ও রক্ষণভাগে কয়েকটি ভুল ছিল, বিশেষ করে গোল শোধ ও অতিরিক্ত সময়ে দূর্বলতা রক্ষণভাগে।
এই পরাজয় সঙ্গে বয়ে আনলো বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ যোগ্যতার আশা ভাঙ্গার বেশ বড় ধাক্কা।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



