নিউজ ডেস্ক : পাহাড়ি হিমশীতল বাতাসের সঙ্গে সঙ্গে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে আভাস দিয়েছে শীতের আগমনী বার্তা। সেই সঙ্গে গভীর রাত থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে জেলার চারপাশ।
হিমশীতল বাতাসের সঙ্গে সোমবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রির ঘরে।
এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, রোববার সন্ধ্যার পর শুরু হয় হিমেল বাতাস। সে বাতাসে রাত ৯টার মধ্যে শহরের হাটবাজার কিছুটা জনশূন্য হয়ে পড়ে। রাত গভীর হলে বাড়তে থাকে কুয়াশা। পরদিন সকাল ৭টা পর্যন্ত স্থায়িত্ব থাকে এ কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশের।
স্থানীয়রা বলছেন, দিন ও রাতের তাপমাত্রা পরিবর্তন হয়ে বাড়তে শুরু করেছে শীতের তীব্রতা।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র বলছে, গত কয়েকদিন ধরে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রির ঘরে তাপমাত্রা উঠানামা করলেও সোমবার সকালে তা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে নেমেছে। দ্রুতই ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে। সোমবার ভোরে জেলাজুড়ে কিছুটা কুয়াশা লক্ষ করা গেলেও সকাল ৭টার পর দেখা মিলেছে সূর্যের।
শীতের কারণে বেড়েছে বিভিন্ন ঠান্ডাজনিত রোগ। জেলা ও উপজেলার হাসপাতালগুলোতে আউটডোরে ঠান্ডাজনিত রোগী বাড়তে শুরু করেছে। চিকিৎসার পাশাপাশি শীতজনিত রোগ থেকে নিরাপদ থাকতে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করছেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের উষ্ণ পরিবেশে থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘গত কয়েকদিন ধরে ১৪ থেকে ১৬ ডিগ্রির ঘরে জেলার তাপমাত্রা উঠানামা করছে। সোমবার তা কমে সকাল ৯টায় ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রির ঘরে নেমে যায়। এছাড়া রোববার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৯টায় ১৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হলেও এ দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।’



